
রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে হবে ভোট। এমন পরিস্থিতিতে দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে আইপিএস এম বি বোরালিঙ্গাইয়া পেয়েছেন নন্দীগ্রামের দায়িত্ব। আর রেজিনগর বিধানসভায় দায়িত্ব গিয়েছে ঝাড়খণ্ডের আইপিএস হরিলাল চৌহানের কাছে।
ইতিমধ্যেই এই দুই কেন্দ্রে ভোটের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, ৬ অক্টোবর এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবর গোনা হবে ভোট। আর ঠিক তার আগেই এই দুই কেন্দ্রের জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন।
কেন উপ নির্বাচন?
আসলে ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই আসন থেকেই জিতেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর তিনি নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। ওদিকে আবার মুর্শিবাদের রেজিনগর ও নওদাতে দাঁড়ান আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। তিনি দু'টি আসনেই জিতে যান। কিন্তু নিয়ম মেনে পরে তিনি রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন। আর এই দুই আসনেই উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন। ৬ অক্টোবর হবে ভোটগ্রহণ। গণনা হবে ৯ অক্টোবর।
এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি দুই আসনের জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষক ঘোষণা করল পুলিশ। এক্ষেত্রে নন্দীগ্রামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এম বি বোরালিঙ্গাইয়াকে। এই আইপিএস কর্নাটকের বাসিন্দা। ২০০৮ ব্যাচের কর্নাটক ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। আর সবথেকে বড় কথা আইপিএস-এর পাশাপাশি তিনি ডাক্তারও। তাঁর রয়েছে মেডিক্যাল ডিগ্রি। ওদিকে রেজিনগরের দায়িত্বে রয়েছেন আইপিএস হরিলাল চৌহান। তিনি ঝাড়খণ্ড ক্যাডারের আইপিএস। এই আইপিএস-এর বাড়ি রাজস্থানে।
সবার নজর নন্দীগ্রামে
এই আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া আসন। তাই এটির দিকে আলাদা করে নজর রয়েছে সকলের। এখানে বিজেপি কাকে ভোটে দাঁড় করায়, সেটাই এখন দেখার।
তবে প্রার্থী যেই হন না কেন, এই আসন থেকে রেকর্ড ভোটে বিজেপিকে জেতানোর ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন দেখার তাঁর ডাকে কতটা সাড়া দেন মানুষ। নতুন রেকর্ড করে কি না নন্দীগ্রাম।
ওদিকে দেখার রাজ্যে পালা বদলের পর হুমায়ুন কবীর নিজের গড় ধরে রাখতে পারেন না। রেজিনগরে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির জয় হয় কি না।