
Falta Protest for Jahangir Khan: জাহাঙ্গিরের মুক্তির দাবিতে চলা বিক্ষোভে লাঠিচার্জ পুলিশের। মঙ্গলবার ফলতায় জাহাঙ্গির খানের মুক্তির দাবিতে পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ চলছিল। স্থানীয়দের একাংশ ও মহিলারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। লাঠিচার্জ শুরু হতেই উত্তেজনা চরমে ওঠে। আতঙ্কে অনেকে পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরে সাঁতরে উঠে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তাঁরা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় আন্দোলন।
মঙ্গলবার দুপুরে ফলতার মল্লিকপুর এলাকার মাহমুদপুর, নওপুকুরিয়া এবং বনহোগলা এলাকায় জাহাঙ্গির খানের সমর্থনে বিক্ষোভ শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, জাহাঙ্গিরের স্ত্রী-সহ একাধিক মহিলা এই কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, জাহাঙ্গির খানের সম্মানহানি করা হচ্ছে। কোমরে দড়ি বেঁধে তাঁকে রাস্তায় ঘোরানোর প্রতিবাদ জানান তাঁরা। জাহাঙ্গিরের মুক্তির দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, এ ভাবে শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপমান করা যায় না।
রাস্তা অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
বিক্ষোভের জেরে স্থানীয় একাধিক রাস্তায় অবরোধ তৈরি হয়। কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলও ব্যাহত হয় বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ফলতা থানার পুলিশ।
পুলিশ প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় পৌঁছয়। অভিযোগ, বনহোগলা এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করা হয়।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠি এড়াতে পুকুরে ঝাঁপ
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এগিয়ে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক বিক্ষোভকারী দৌড়ে পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে অপর পারে উঠে যান।
ঘটনার জেরে এলাকায় বেশ কিছু সময়ের রীতিমতো উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অবরোধ তুলে দেওয়া হয়।
জাহাঙ্গির খানের কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানোর ঘটনায় ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মুক্তির দাবিতে একাধিক জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে কোনও ধরনের অবরোধ বা বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।