Advertisement

ঘরবন্দি অনুব্রত, জনরোষ বুঝে পার্টি অফিসেও দেখা নেই বীরভূমের কেষ্টর

শুধু অনুব্রত নন, ফল ঘোষণার পর জেলা কোর কমিটির অন্য সদস্যদেরও দলীয় কার্যালয়ে দেখা মেলেনি। কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। ফলে নিচুপট্টি এলাকার জেলা তৃণমূল কার্যালয় এখন প্রায় কর্মীশূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

Anubrata MondalAnubrata Mondal
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Jun 2026,
  • अपडेटेड 2:30 PM IST
  • ভোটে ভরাডুবির ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই নতুন চর্চার কেন্দ্রে বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল।
  • বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও তিনি নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে যাতায়াত করতেন।

ভোটে ভরাডুবির ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই নতুন চর্চার কেন্দ্রে বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও তিনি নিয়মিত দলীয় কার্যালয়ে যাতায়াত করতেন। কিন্তু পুলিশি নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর থেকে কার্যত ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি। বোলপুরের চণ্ডিদাস রোডে অবস্থিত জেলা তৃণমূল কার্যালয়ও এখন প্রায় শুনশান।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমে তৃণমূলের প্রচার ও সাংগঠনিক কৌশল মূলত অনুব্রত মণ্ডল এবং জেলা কোর কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছিল। তবে ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। ভোটের ফল ঘোষণার পরও অনুব্রত প্রতিদিন বিকেল সাড়ে চারটার পর দলীয় কার্যালয়ে এসে প্রায় দু’ঘণ্টা সময় কাটাতেন। কিন্তু নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার পর থেকে তাঁকে আর পার্টি অফিসে দেখা যায়নি।

শুধু অনুব্রত নন, ফল ঘোষণার পর জেলা কোর কমিটির অন্য সদস্যদেরও দলীয় কার্যালয়ে দেখা মেলেনি। কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। ফলে নিচুপট্টি এলাকার জেলা তৃণমূল কার্যালয় এখন প্রায় কর্মীশূন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য, ৪ মে গণনার দিন সকাল থেকেই পার্টি অফিসে উপচে পড়া ভিড় ছিল। কিন্তু ফলাফলের ধারা স্পষ্ট হতে শুরু করতেই সেই ভিড় দ্রুত কমে যায়। বিশেষ করে বোলপুর শহরে দলের পিছিয়ে পড়া কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হতাশা আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে দলীয় কার্যালয়ে আর আগের মতো রাজনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য দেখা যায়নি।

একসময় অনুব্রত মণ্ডলের জন্য ওয়াই-প্লাস নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। তাঁর নিরাপত্তায় ১০ জন দেহরক্ষী, সামনে-পিছনে পাইলট গাড়ি এবং বাড়িতে স্থায়ীভাবে পুলিশ মোতায়েন থাকত। কয়েক দিন আগে সেই নিরাপত্তা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হয়। প্রথমে দেহরক্ষীর সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়, পরে বাড়িতে থাকা পুলিশ কর্মীকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।

নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর থেকেই অনুব্রত মণ্ডল প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা দিচ্ছেন। তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই তাঁর জনসমক্ষে উপস্থিতি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং বীরভূমের তৃণমূল সংগঠনও অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement