
ফ্রিজে ভর্তি ফাঙ্গাস পড়া চিকেন! আলুতে মেশানো রং! মধ্যমগ্রামের জনপ্রিয় সটার মলের এক নামী রেস্তোরাঁর কিচেনের চিত্রটা রীতিমতো ভয় ধরাচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে আচমকাই হানা দেয় খাদ্য দফতর। আর তাদের ফুড সেফটি অভিযানে যা ধরা পড়ল তা আতঙ্ক তৈরি করেছে মানুষের মনে।
ইতিমধ্যেই নামী ওই রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করেছে খাদ্য দফতর। ফুড সেফটি আধিকারিকরা স্টার মলের ওই রেস্তোরাঁয় গিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন বাসি-পচা মাংস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে খাবার, আলুতে মেশানো হয়েছে রং। এই ধরনের খাবার গ্রাহকদের জন্য অনুপযোগী তো বটেই, বিষাক্ত এই খাবার খেলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন যে কেউ।
ফুড সেফটি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, স্টার মলের ওই রেস্তোরাঁয় দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করার জন্যই ফেলে রাখা মাংসে ফাঙ্গাস দেখা দিয়েছে। ওই মাংসই রেঁধে পরিবেশন করা হচ্ছিল গ্রাহকদের।
ফুড সেফটি গাইডলাইন না মানায় তৎক্ষণাৎ ওই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে কড়া অ্যাকশন নেয় খাদ্য দফতর। তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়।
যদিও ওই রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাংস সংরক্ষণ করা হয়নি। ফ্রিজে রাখা ওই মাংস ২ দিনের বেশি পুরনো নয়। কাঁচা অবস্থায় ছিল মাংস। তবে শেষ পর্যন্ত খাদ্য দফতরের আধিকারিকদের চাপে ওই মাংস ফেলে দিতে বাধ্য হয় রেস্তোরাঁ।
ফুড সেফটি দফতরের কর্তা প্রসেনজিৎ বটব্যালের নেতৃত্বেই স্টার মলের ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চলে। রেস্তোরাঁর কিচেন পর্যবেক্ষণের পর জানিয়েছেন, খাবারের গুণগত মান নিয়ে কোনওরকম আপোস করা হবে না। নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হবে। সমস্ত রেস্তোরাঁকে টাটকা সবজি, মাংস নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।