Advertisement

Nirmal Ghosh Arrested: সেই রাতে তড়িঘড়ি দেহ সত্‍কার কেন? TMC-র প্রাক্তন MLA নির্মল ঘোষ গ্রেফতার

আরজি কর মামলায় পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেফতার। তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দা থানার পুলিশ। মাত্র দুই দিন আগেই আরজি করের মৃত নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। তারপরই আজ গ্রেফতার করা হল তাঁকে। 

আরজি কর মামলায় গ্রেফতার নির্মল ঘোষআরজি কর মামলায় গ্রেফতার নির্মল ঘোষ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Aug 2026,
  • अपडेटेड 2:00 PM IST
  • আরজি কর মামলায় পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেফতার
  • তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দা থানার পুলিশ
  • মাত্র দুই দিন আগেই আরজি করের মৃত নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়

আরজি কর মামলায় পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নির্মল ঘোষ গ্রেফতার। তাঁকে গ্রেফতার করেছে খড়দা থানার পুলিশ। মাত্র দুই দিন আগেই আরজি করের মৃত নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। তারপর আজ গ্রেফতার করা হল তাঁকে। 

জানা গিয়েছে, ওড়িশার সম্বলপুর থেকে নির্মল ঘোষকে আটক করা হয়। আটক করার কাজটা করে খড়দা থানার পুলিশ।

কী অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে? 
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আরজি করে নির্যাতিতা চিকিৎসকের মৃতদেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল তাঁর নেতৃত্বে। আর এই কাজটা তিনি পরিবারের কারও মতামত বা সই ছাড়াই করেছিলেন। শুধু তাই নয়, তাঁর নেতৃত্বেই সেই সময় প্রমাণ লোপাটের কাজ চলে বলেও দাবি করা হয়। কিন্তু তৃণমূল সরকারের আমলে এই অনিয়মগুলির ক্ষেত্রে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। তবে বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর নির্মলের বিরুদ্ধে হয় এফআইআর। অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করল খড়দা থানার পুলিশ। 

মাথায় রাখতে হবে, বিরোধী দলনেতা থাকার সময় থেকেই শুভেন্দু অধিকারী আরজি করের চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় সঠিক তদন্ত চেয়ে এসেছেন। আর ক্ষমতায় এসে সম্প্রতি তিনি বলেন, 'অভয়া তোমায় ভুলিনি'। সেই সঙ্গে নতুন করে কেস করার নির্দেশ দেন। তারপরই পুলিশ নতুন করে সক্রিয় হয়। রুজু হয় নতুন এফআইআর। তারপর ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হয় নির্মলকে।

কী ঘটনা?

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করের ঘটে যায় এক ভয়ঙ্কর ঘটনা। এক চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপর সঠিক বিচারের দাবিতে বিরাট আন্দোলন হয়। আর ঠিক তার ২ বছর পর, পানিহাটিতে দাঁড়িয়ে গত ৯ অগাস্ট শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর মায়ের একটি চিঠি পেয়েছি। তিনি নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুনর্তদন্তের জন্য বলেছেন। কোর্ট মনিটরিংয়ে সিবিআই তদন্ত চলছে। তাই আমি ১৯৫২ সালের স্পেশাল কমিশন অ্যাক্টের আওতায় তাঁর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে তদন্ত ঘোষণা করে গেলাম... এখানে নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এই তিন জন এই কাণ্ড করেছেন। আমি ব্যারাকপুরের সিপিকে বলব, প্লিজ স্টার্ট নিউ কেস।’

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর এহেন নির্দেশের পর নতুন করে এফআইআর করা হয়। ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হয় নির্মলকে। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।  

 

Read more!
Advertisement
Advertisement