Advertisement

Guardian Allegedly Beat Teacher: ছাত্রকে বকাঝকা, গোপালনগরে স্কুলে ঢুকে শিক্ষককে বেল্ট দিয়ে মারধরের অভিযোগ অভিভাবকের বিরুদ্ধে

উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের হরিপদ ইনস্টিটিউশনে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলছিল। এই সময় কয়েকজন পড়ুয়া ক্লাসরুমের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করছিল বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্লাসের শিক্ষকরা তাঁদের শাসন করেন। এই সময়ই বাংলা শিক্ষক অরুণ দাস এক পড়ুয়াকে বকাঝকা করেন। আর সেখান থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। তারপর সেখানে উপস্থিত হন এক ছাত্রের অভিভাবক। 

শিক্ষককে মার অভিভাবকেরশিক্ষককে মার অভিভাবকের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Aug 2026,
  • अपडेटेड 6:50 AM IST
  • উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের হরিপদ ইনস্টিটিউশনে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলছিল
  • এই সময় কয়েকজন পড়ুয়া ক্লাসরুমের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করছিল বলে অভিযোগ
  • পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্লাসের শিক্ষকরা তাঁদের শাসন করেন

এবার স্কুলের স্যরকে কোমরের বেল্ট দিয়ে মারধোরের অভিযোগ উঠল অভিভাবকের বিরুদ্ধে। ঘটনা গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনের। অভিযোগ, ছাত্রকে বকাঝকা করার জন্য শিক্ষককে কোমরের বেল্ট দিয়ে মারধর করেন এক অভিভাবক। আর এই ঘটনা সামনে আসার পরই এলাকায় উত্তেজনা বেড়েছে। ক্ষোভ তৈরি হয়েছে স্কুল শিক্ষকদের মধ্যে। 

 
যতদূর খবর, উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের হরিপদ ইনস্টিটিউশনে একাদশ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চলছিল। এই সময় কয়েকজন পড়ুয়া ক্লাসরুমের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করছিল বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্লাসের শিক্ষকরা তাঁদের শাসন করেন। এই সময়ই বাংলা শিক্ষক অরুণ দাস এক পড়ুয়াকে বকাঝকা করেন। আর সেখান থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। তারপর সেখানে উপস্থিত হন এক ছাত্রের অভিভাবক। 

অভিযোগ, ওই পড়ুয়ার অভিভাবক দেবব্রত দাস স্কুলে এসে প্রধান শিক্ষকের ঘরে ঢোকেন। সেখানে শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। 

এক সময় দেবব্রত দাস বাংলার শিক্ষক অরুণ দাসের উপর চড়াও হন। কোমরের বেল্ট দিয়ে তাঁকে মারধর করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরিস্থিতি দেখে স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা হস্তক্ষেপ করেন। তাঁরা অভিযুক্ত অভিভাবককে আটকান। এরপর দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়েই পুলিশ স্কুলে পৌঁছে যায়। তারা অভিযুক্ত অভিভাবককে আটক করে নিয়ে যায়।

এই পরিস্থিতির জন্য বর্তমানে স্কুলের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক অনেকেই। শিক্ষকদের একাংশের প্রশ্ন, ছাত্রদের কি একটু কিছুও বলা যাবে না? কিছু বললেই তাঁদের উপর চড়াও হতে পারেন অভিভাবকরা? শিক্ষকদের নিরাপত্তা ঠিক কোথায়? 

যদিও এখনও বিষয়টা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছুই জানান হয়নি। এখন দেখার পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে যায়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement