Advertisement

Humayun on Suvendu: সকালে শুভেন্দুর মৃত্যুকামনা করে বিতর্কে, বিকেলেই সুর বদলে ইউটার্ন হুমায়ুনের

Humayun Kabir on Suvendu Adhikari: ফের বিতর্কে হুমায়ুন কবীর। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করতে গিয়ে বেঁফাস মন্তব্য করলেন AJUP প্রধান। তবে তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিলেন ইউ-টার্নও।

সকালে ‘মৃত্যুকামনা’, বিতর্ক হতেই বিকেলে সুর বদল হুমায়ুনের, শুভেন্দুর ‘দীর্ঘায়ু’ চাইলেনসকালে ‘মৃত্যুকামনা’, বিতর্ক হতেই বিকেলে সুর বদল হুমায়ুনের, শুভেন্দুর ‘দীর্ঘায়ু’ চাইলেন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Sep 2026,
  • अपडेटेड 7:11 PM IST
  • ফের বিতর্কে হুমায়ুন কবীর।
  • শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করতে গিয়ে বেঁফাস মন্তব্য করলেন AJUP প্রধান।
  • কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিলেন ইউ-টার্নও।

Humayun Kabir on Suvendu Adhikari: ফের বিতর্কে হুমায়ুন কবীর। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করতে গিয়ে বেঁফাস মন্তব্য করলেন AJUP প্রধান। তবে তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিলেন ইউ-টার্নও। এদিন সকালে হুমায়ুন বলেন, 'যেভাবে রাতের অন্ধকারে পুলিশ দিয়ে আমাদের দলীয় কর্মীদের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে, আমি আল্লার কাছে দোয়া চাইব উনি যেন যত দ্রুত সম্ভব পৃথিবী থেকে চলে যান। আল্লা যেন ওঁর টিকিট কাটিয়ে দেন।' তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সমালোচনা শুরু হতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অবস্থান বদল করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-র প্রধান।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, তিনি শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে ওই মন্তব্য করেননি। তিনি মূলত পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলতে চাইছিলেন। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘায়ুও কামনা করেন। মুখ্যমন্ত্রী যাতে পুরো মেয়াদে দায়িত্বে থাকেন, সেই কামনাও করেন। এমনকি ভবিষ্যতে তাঁকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবেও দেখতে চান বলে জানান হুমায়ুন।  

রেজিনগর উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রশাসনকে নিশানা করছেন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, AJUP কর্মীদের পুলিশ হেনস্থা করছে। একাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর। প্রচারে বেরোলেই পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

রবিবার সাংবাদিকদের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে হুমায়ুনের মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।  

তবে বিতর্ক বাড়তেই নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন হুমায়ুন। তিনি জানান, তাঁর ক্ষোভ মূলত পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। তাঁর দাবি, দলীয় কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তাঁর সঙ্গে যাঁরা নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছেন, তাঁদেরও এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।  

হুমায়ুনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করে ব্যারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বাংলার রাজনীতিকে এই কদর্য জায়গায় নামিয়ে এনেছেন। হুমায়ুনরা আসলে সেই তৃণমূল সংস্কৃতিরই প্রোডাক্ট।' 

Advertisement

প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, 'কারও রাজনৈতিক নীতি বা শুভেন্দু অধিকারীকে ব্যক্তিগতভাবে অপছন্দ হতেই পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে কারও মৃত্যু কামনা করা চরম অসভ্যতা।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement