Advertisement

Humayun Kabir: হুমায়ুনের হাতিয়ার সেই 'বাবরি'ই, 'ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখান,' সরকারকে চ্যালেঞ্জ

Humayun Kabir Warns of 5 Lakh Gathering: 'প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক।' রবিবার রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় মসজিদ চত্বরে ৫ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। শুধু তা-ই নয়, রেজিনগর থেকে বহরমপুর পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

হুমায়ুনের দাবি, আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় মসজিদ চত্বরে ৫ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। হুমায়ুনের দাবি, আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় মসজিদ চত্বরে ৫ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Nov 2026,
  • अपडेटेड 5:41 PM IST
  • হুমায়ুনের দাবি, আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় মসজিদ চত্বরে ৫ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে।
  • রবিবার বেলডাঙায় একটি সভায় বক্তব্য রাখেন হুমায়ুন।

Humayun Kabir Warns of 5 Lakh Gathering: 'প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক।' রবিবার রীতিমতো হুঙ্কার দিলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় মসজিদ চত্বরে ৫ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। শুধু তা-ই নয়, রেজিনগর থেকে বহরমপুর পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। হুমায়ুন বলেন, 'বাবরি মসজিদ প্রতিষ্ঠার দিন জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে দেব। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক পুলিশ প্রশাসন। এক মাস পাঁচ দিন পরে আমি আবার ঘোষণা করলাম, মুর্শিদাবাদের প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে রুখে নেবেন। ওই দিন আবার ৩৪ নং জাতীয় সড়ক, রেজিনগর থেকে বহরমপুর তিরিশ কিলোমিটার আমার কবজায় থাকবে।'  

প্রশাসনকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ হুমায়ুনের
রবিবার বেলডাঙায় একটি সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন বলেন, ৬ ডিসেম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করবেন তাঁরা। প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে তাঁকে আটকে দেখাক। তাঁর দাবি, কৃষ্ণনগর, ডোমকল, জলঙ্গি, সাঁইথিয়া এবং বর্ধমানের দিক থেকেও বহু মানুষ ওই দিন মুর্শিদাবাদে আসবেন।  

বাবরি মসজিদ নিয়ে ঠিক কী পরিকল্পনা?
হুমায়ুনের দাবি, প্রায় ৮৭ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হবে দোতলা মসজিদ। সেখানে একসঙ্গে ৮০ হাজার মানুষ নমাজ পড়তে পারবেন। মসজিদ চত্বরেও আরও ২০ হাজার মানুষের প্রার্থনার ব্যবস্থা থাকবে।  

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনটিকেই বেছে নিয়ে বেলডাঙায় মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন হুমায়ুন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় নির্মাণকাজ। সেই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এর আগেও রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

৬ ডিসেম্বরই কেন?
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙা হয়েছিল। সেই দিনকে ঘিরে ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিতর্কও রয়েছে। ফলে মুর্শিদাবাদের এই কর্মসূচি যে প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। 

Read more!
Advertisement
Advertisement