Advertisement

JU-তে নিয়োগে কত অনিয়ম? এ বার রাজ্যপাল ও শিক্ষা দফতরের দ্বারস্থ RSS-এর শিক্ষক সংগঠন

সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আরএসএস-সমর্থিত শিক্ষক সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ’ (ABRSM)-এর সদস্যরা জানান, ডিন, ফ্যাকাল্টি সেক্রেটারি এবং প্লেসমেন্ট অফিসার নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং উপাচার্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:44 AM IST
  • যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হল আরএসএস-ঘনিষ্ঠ শিক্ষক সংগঠন।
  • অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিতে তারা রাজ্য শিক্ষা দফতর এবং রাজ্যপালের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরব হল আরএসএস-ঘনিষ্ঠ শিক্ষক সংগঠন। অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিতে তারা রাজ্য শিক্ষা দফতর এবং রাজ্যপালের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আরএসএস-সমর্থিত শিক্ষক সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ’ (ABRSM)-এর সদস্যরা জানান, ডিন, ফ্যাকাল্টি সেক্রেটারি এবং প্লেসমেন্ট অফিসার নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং উপাচার্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ জানান, উপাচার্য আইনি পরামর্শের পর জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। সেই কারণেই এখন রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের কাছে বিষয়টি তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্যপালই রাজ্য-সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য।

সংগঠনের আরও অভিযোগ, রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ থাকার সময়ই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তাঁদের দাবি, গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে তাঁরা প্রশাসনের কাছে স্বচ্ছতার দাবি জানান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সংগঠনগুলির সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবও দেন, যেমনটি অন্যান্য সংগঠনের ক্ষেত্রেও করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে, উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, নিয়োগ ও সাক্ষাৎকার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা, এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল বা কার্যনির্বাহী পরিষদ, সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করেছে। তাঁর মতে, এই বিষয়ে ব্যক্তিগত মতামতের কিছু নেই।

এদিকে, সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন যথাযথ নিয়ম মেনে হয়নি। তাঁরা এই বিষয়েও রাজ্য সরকার ও আচার্যের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুদ্ধদেব সাউকে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন রাজ্যপাল সি. ভি. আনন্দ বোস অনুমোদিত উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। সংগঠনের দাবি, সেই সময় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলিও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

Advertisement

অন্যদিকে, বাম-সমর্থিত শিক্ষক সংগঠন জুটা-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের মেয়াদ বৃদ্ধি প্রশাসনিক প্রয়োজনেই করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, স্থায়ী রেজিস্ট্রার নিয়োগে বিলম্ব হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁরা জানান, শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ম মেনেই হয়েছে। এবং বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করা হলেও কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি।

সব মিলিয়ে, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক, দাবি-পাল্টা দাবির পর্ব।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement