
এয়ারপোর্ট এলাকার মাইকেলনগর সংলগ্ন এইচপি-এর পেট্রোল পাম্প। সেখানে তেল ভরাতে গিয়েই ঝামেলায় পড়ছেন অনেকে। অভিযোগ, ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রোল ভরতে চাইলেও মাত্র ২০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে ওই পাম্পে। এই প্রসঙ্গে ওই পেট্রোল পাম্পের কর্মী জানান, তাঁদের পেট্রোল পাম্পে তেল আসছে না। ফলে গ্রাহকদের ২০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না।
আর শুধু এই পেট্রোল পাম্প নয়, এছাড়া আরও একাধিক পেট্রোল পাম্পে একই ছবি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এই বিষয়টার সত্যতা জানতেই একাধিক জেলার পেট্রোল পাম্পে যোগাযোগ করেছিল bangla.aajtak.in। আসুন জেলায় জেলায় ঠিক কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেটা জেনে নেওয়া যাক-
কলকাতার কী খবর?
কলকাতার লেকটাউন এলাকার একাধিক পেট্রোল পাম্পে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সেখানে তেল নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানান হয়েছে।
একই কথা বলেছে রবীন্দ্র সদন এলাকার একটি পেট্রোল পাম্প। তাদের দাবি, যত টাকার খুশি তেল নেওয়া যাবে। কোনও লিমিট নেই।
বীরভূম কী বলছে?
বীরভূমের বোলপুর অঞ্চলের একাধিক পেট্রোল পাম্পে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সেখানেও তেমন কোনও সমস্যা নেই। শ্রীনিকেতন রোডের একটি পাম্পের কর্মী জানান, তেল নিয়ে কোনও সঙ্কট নেই। চাইলেই ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে।
বর্ধমানে সমস্যা রয়েছে?
না, বর্ধমান শহর এলাকার একাধিক পেট্রোল পাম্পে খবর নেওয়া হলেও তেমন কোনও সমস্যার কথা শোনা যায়নি।
নদিয়ার কী খবর?
নদিয়া জেলায় ফুল ট্যাঙ্ক পেট্রোল ভরাতে গেলেও তেমন সমস্যা হচ্ছে না বলেই খবর। যদিও এই জেলায় একটা আপার লিমিট করা হয়েছে।
বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার নির্দেশে বিগত কয়েক মাস ধরেই নদিয়া জেলার পাম্পগুলিতে পেট্রোল এবং ডিজেল বিক্রির ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষ্ণনগরের একটি পাম্পের তরফে কর্ণধার প্রতীক দত্ত জানালেন, কোম্পানির নির্দেশানুসারে কোনও একজন ক্রেতার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ৫০ লিটার পেট্রোল এবং ৩০০ লিটার ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছে।
শিলিগুড়িতেও সমস্যা নেই
পেট্রোলের সঙ্কট তৈরি হলে দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বিরাট প্রভাব পড়তে পারে। তাই সেখানে কোও সমস্যা চলছে কি না সেটা জানতে শিলিগুড়ির একাধিক পেট্রোল পাম্পে খোঁজ নেওয়া হয়েছিল। যদিও সেখানে কোনও সমস্যা নেই বলে জানান হয়েছে। তাই এটা সহজেই বলা যায়, সারা বাংলায় এখনও তেলের সমস্যা নেই। যেই খবরটা রটছে, সেটা অতিরঞ্জিত।