Advertisement

Kalipuja Official Order: কালীপুজোয় বাজি ফাটানোর সময় বেঁধে দিল নবান্ন, নির্দেশিকা জেনে নিন

আগামী ৮ নভেম্বর, রবিবার কালীপুজো। তার আগে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে বাজি পোড়ানোর সময়সীমা, ফানুস ওড়ানো এবং বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ।

ফানুস ওড়ানো এবং বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। ফানুস ওড়ানো এবং বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Nov 2026,
  • अपडेटेड 8:36 PM IST
  • কালীপুজোর রাতে ইচ্ছেমতো বাজি ফাটানো যাবে না।
  • একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।
  • নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।

কালীপুজোর রাতে ইচ্ছেমতো বাজি ফাটানো যাবে না। শব্দদূষণ ও দুর্ঘটনা ঠেকাতে আগেভাগেই একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। আগামী ৮ নভেম্বর, রবিবার কালীপুজো। তার আগে নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে বাজি পোড়ানোর সময়সীমা, ফানুস ওড়ানো এবং বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। নিয়ম ভাঙলে নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছে প্রশাসন।

কখন বাজি ফাটানো যাবে?
রাজ্যের নির্দেশ অনুযায়ী, কালীপুজোর দিন রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যাবে। অর্থাৎ মাত্র দু’ঘণ্টার জন্য মিলবে অনুমতি। ছটপুজোর ক্ষেত্রেও আলাদা সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে বাজি পোড়ানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।  

হাসপাতাল, স্কুলের কাছে শব্দবাজি নিষিদ্ধ
শুধু সময় মেনে চললেই হবে না। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সাইলেন্স জোনে নীরবতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল এবং হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। অসুস্থ মানুষ, শিশু এবং প্রবীণদের কথা মাথায় রেখেই এই বিধিনিষেধ। কোথাও নিষিদ্ধ শব্দবাজি বিক্রি হচ্ছে কি না, বাজি বাজারে নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখবে প্রশাসন।

ফানুস ও বাজি বাজারেও কড়াকড়ি
গত কয়েক বছরে কালীপুজোয় ফানুস ওড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু কাগজের ফানুস বেশ বিপজ্জনক। বহুদুর উড়ে গিয়ে কোনও দাহ্য বস্তুর উপর পড়তে পারে। তাই এবার ইচ্ছেমতো ফানুস ওড়ানো যাবে না। পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, ফানুস ব্যবহারের আগে লাইসেন্স নিতে হবে। পাশাপাশি বাজি বাজার বসানোর জায়গা নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করবে পুলিশ, প্রশাসন এবং পুরসভা। প্রতিটি বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও অ্যাম্বুল্যান্স রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কেন এই নিয়ম
কালীপুজো ও ছটের সময়ে একসঙ্গে বহু এলাকায় বাজি পোড়ানো হয়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই শব্দ ও ধোঁয়ার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হাসপাতালের রোগী, পড়ুয়া, বয়স্ক মানুষ এবং শিশুদের উপর তার প্রভাব পড়ে। পাশাপাশি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অসতর্কভাবে বাজি পোড়ালে আগুন লাগা বা কারও জখম হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।  

Advertisement

উৎসবের আনন্দ যেন অন্যের বিপদ বা অসুবিধার কারণ না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই নির্দেশিকা। তাই বাজি কেনা থেকে পোড়ানো; সব ক্ষেত্রেই নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ প্রশাসনের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement