Advertisement

Kalyani Expressway: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে, ৪৫ কিমি সিগন্যালবিহীন, বেলঘরিয়া-বড়ো জাগুলিয়া মাত্র ৪০ মিনিট

উত্তর শহরতলি থেকে উত্তরবঙ্গের পথে যাতায়াতের নতুন দিগন্ত খুলে দিল ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে। সোমবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে ৩ হাজার ৩৫৫ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ছ’লেনের সড়কের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোলে রাজ্যবাসীর জন্য এটিকে বিশেষ উপহার বলেই উল্লেখ করেন তিনি। এখন যে পথ পাড়ি দিতে সময় লাগত দু’ থেকে আড়াই ঘণ্টা, তা সেরে ফেলা যাবে মাত্র ৪০ মিনিটে।

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে।-ফাইল ছবিকল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:48 AM IST
  • উত্তর শহরতলি থেকে উত্তরবঙ্গের পথে যাতায়াতের নতুন দিগন্ত খুলে দিল ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে।
  • সোমবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে ৩ হাজার ৩৫৫ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ছ’লেনের সড়কের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তর শহরতলি থেকে উত্তরবঙ্গের পথে যাতায়াতের নতুন দিগন্ত খুলে দিল ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে। সোমবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়াম থেকে ৩ হাজার ৩৫৫ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ছ’লেনের সড়কের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোলে রাজ্যবাসীর জন্য এটিকে বিশেষ উপহার বলেই উল্লেখ করেন তিনি। এখন যে পথ পাড়ি দিতে সময় লাগত দু’ থেকে আড়াই ঘণ্টা, তা সেরে ফেলা যাবে মাত্র ৪০ মিনিটে।

বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগস্থলেও পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ পার্থ ভৌমিক, মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ব্রাত্য বসু, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, মদন মিত্র-সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরই যান চলাচল শুরু হয়।

৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে নেই কোনও ট্রাফিক সিগন্যাল। রয়েছে এলিভেটেড করিডর ও একাধিক আন্ডারপাস, ফলে একবার এক্সপ্রেসওয়েতে উঠলে বাধাহীনভাবে ছুটবে গাড়ি। বেলঘরিয়া-কল্যাণী জংশন থেকে বড়ো জাগুলিয়া পর্যন্ত তৈরি হয়েছে ১১ কিলোমিটার জুড়ে চারটি ফ্লাইওভার, সাতটি আন্ডারপাস, ছ’টি লাইট ভেহিকল আন্ডারপাস, ৭০টি কালভার্ট, পাঁচটি শৌচালয়, একটি ট্রাক লে-বাই ও ৫৬টি যাত্রী প্রতীক্ষালয়। অপর প্রান্ত যুক্ত হয়েছে গঙ্গার উপর নির্মীয়মাণ ঈশ্বর গুপ্ত সেতু এবং ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে। এর ফলে উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ হবে আরও দ্রুত ও মসৃণ।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মতে, এই সড়ক চালু হওয়ায় পণ্য পরিবহণের খরচ কমবে, বিমানবন্দর ও কল্যাণীর এইমসে পৌঁছানো সহজ হবে। ইতিমধ্যেই রাস্তার দু’পাশে শিল্প ও লজিস্টিক হাব গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনেকের আশা, এই এক্সপ্রেসওয়ে উত্তরাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক মানচিত্র বদলে দেবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement