Advertisement

Kolkata Police: রবিবার থেকে টহল শুরু, গত নির্বাচনের 'হটস্পট' চিহ্নিত করতে থানাভিত্তিক রিপোর্ট চাইল লালবাজার

এলাকা আধিপত্য মহড়ার অংশ হিসেবে চিহ্নিত অপরাধমূলক আস্তানা এবং যাঁদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা ঝুলে আছে, তাঁদের বাড়িতেও তল্লাশি চালানোর কথা বলা হয়েছে। কোনও পলাতক অভিযুক্তের তথ্যও দৈনিক রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:12 PM IST
  • আসন্ন নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করতে তৎপর কলকাতা পুলিশ।
  • শহরের সব থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নিজেদের এলাকায় সমস্যাপ্রবণ অঞ্চল চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করতে তৎপর কলকাতা পুলিশ। শহরের সব থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নিজেদের এলাকায় সমস্যাপ্রবণ অঞ্চল চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে হিংসার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরি করতে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর এলাকা আধিপত্য মহড়ার আগে সীমান্তবর্তী জেলার পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় সাধনের কথাও বলা হয়েছে।

প্রথম দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২৪০টি কোম্পানি রবিবার বাংলায় পৌঁছবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ১২টি কোম্পানি মোতায়েন করা হবে কলকাতায়। বাহিনী পৌঁছনোর পরই শুরু হবে মহড়া। প্রতিটি কোম্পানির শক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টনের জন্য কোম্পানি কমান্ডাররা ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় সংবেদনশীল অঞ্চল চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেগুলিকে আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করতে হবে, যাতে পরিকল্পিতভাবে মহড়া চালানো যায়। লালবাজারের শীর্ষ আধিকারিক এবং বিভাগীয় উপ-পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে পরামর্শ করেই এই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মহড়া শুরুর আগেই তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে।

তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে-
১) গত নির্বাচনের সময় বা পরে যেখানে ভোট-সংক্রান্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছিল,
২) অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত ভোটকেন্দ্র,
৩) সংলগ্ন জেলার সীমানা সংলগ্ন অঞ্চল, যেখানে বিভিন্ন থানার এখতিয়ার একে অপরের সঙ্গে মিলে যায়।

প্রতিদিনের রিপোর্ট লালবাজার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের কাছে জমা দিতে হবে। রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্তর্ভুক্ত ভোটকেন্দ্রের সংখ্যাও উল্লেখ করতে হবে।

দুষ্কৃতীদের ক্ষেত্রেও তিনটি পৃথক তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে-
তালিকা ‘এ’: এলাকার পরিচিত অপরাধী,
তালিকা ‘বি’: এলাকায় সক্রিয় কিন্তু অন্যত্র বসবাসকারী অপরাধী,
তালিকা ‘সি’: এলাকার নতুন বা উদীয়মান অপরাধী।

এলাকা আধিপত্য মহড়ার অংশ হিসেবে চিহ্নিত অপরাধমূলক আস্তানা এবং যাঁদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা ঝুলে আছে, তাঁদের বাড়িতেও তল্লাশি চালানোর কথা বলা হয়েছে। কোনও পলাতক অভিযুক্তের তথ্যও দৈনিক রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

Advertisement

জেলার সীমানা সংলগ্ন ওভারল্যাপিং এলাকায় থাকা থানাগুলিকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে যৌথ পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি কোম্পানি প্রতিদিন তিনটি থানার আওতায় টহল ও মহড়া চালায়। কোম্পানির কমান্ডিং অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করে সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে এবং তা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement