Advertisement

Bageshwar Baba: আমিষ-নিদানের পর এবার কৃষ্ণ বিতর্কে বাবা বাগেশ্বর, 'মামলা হবে না?' প্রশ্ন কুণালের

Kunal Ghosh Bageshwar Baba: ফের বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। এর আগে বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করে 'গেরো'য় পড়েছিলেন। আর এবার রাম ও কৃষ্ণের তুলনা টানতে গিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।

এবার রাম ও কৃষ্ণের তুলনা টানতে গিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। এবার রাম ও কৃষ্ণের তুলনা টানতে গিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Nov 2026,
  • अपडेटेड 5:31 PM IST
  • ফের বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী।
  • এর আগে বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করে 'গেরো'য় পড়েছিলেন।

Kunal Ghosh Bageshwar Baba: ফের বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। এর আগে বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করে 'গেরো'য় পড়েছিলেন। আর এবার রাম ও কৃষ্ণের তুলনা টানতে গিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। 'কৃষ্ণকে নিয়ে এমন কথা বলার অধিকার তাঁকে কে দিয়েছে', সেই প্রশ্নই তুলেছেন কুণাল। জানতে চেয়েছেন, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত বা ঈশ্বরকে অপমানের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হবে না কেন?

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেটি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেখানে ধীরেন্দ্রকে বলতে শোনা যায়, কৃষ্ণের মূর্তি ও ছবিতে তাঁকে তিন জায়গায় বাঁকা ভঙ্গিতে দেখা যায়। তাঁর পা, কোমর এবং ঘাড় বাঁকানো থাকে। বাঁকা হয়েই তিনি বাঁশি বাজান। এদিকে রাম সোজা দাঁড়ান। হাঁটা এবং ধনুক ধরেন। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম, রামের ভঙ্গি সোজা, দাপুটে।কৃষ্ণের ভঙ্গি বাঁকা, বংশীবাদকরূপী। কারা রামভক্ত, তাঁদের হাত তুলে সমর্থন জানাতেও বলেন।

তাঁর কথার এই ক্লিপিংস ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই এই নিয়ে তীব্র আপত্তি তোলেন। কুণাল ঘোষও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাঁর প্রশ্ন, শ্রীকৃষ্ণকে এভাবে অপমান করার অধিকার ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীকে কে দিল? এর আগেও বাংলায় এসে বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বাগেশ্বর বাবা। সেবার তিনি দুর্গাপুজোর সময় বাঙালিদের আমিষ খাওয়ার অভ্যাসের নিন্দা করেন। সকলকে নিরামিষ খেতে বলেছিলেন। তাই নিয়ে তীব্র বিতর্কের ঝড় উঠেছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল বলেন, আগে বাঙালিদের কটূক্তি, এবার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত। ঈশ্বরের অপমানের অভিযোগে মামলা হবে না কেন?

বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই অবশ্য সুর নরম করেন ধীরেন্দ্র। ক্ষমা চেয়ে তিনি জানান, নিজে কৃষ্ণভক্ত। শ্রীকৃষ্ণের গুণগানও করেন। রাম ও কৃষ্ণের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বাঁশি নিয়ে প্রচলিত একটি কথার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি একটু মজা করে উপমা দিচ্ছিলেন। লোকে তিনি কী বলতে চাইছেন, তা আসলে বুঝতে ভুল করছেন। ধীরেন্দ্রর দাবি, রাম ও কৃষ্ণ আসলে একই। সেটাই বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি।  

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement