Advertisement

Madhya Pradesh High Court: যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতার হবেন অভিষেক? রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল হাইকোর্ট

বড় বিপদে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যে কোনও সময়ে গ্রেফতারির আশঙ্কা। তাঁর রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট।

মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টমধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Jun 2026,
  • अपडेटेड 9:20 AM IST
  • বড় বিপদে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
  • যে কোনও সময়ে গ্রেফতারির আশঙ্কা
  • তাঁর রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট

খারাপ সময় কাটছেই না তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ওপর দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে এই আদেশের একটি কপি অবিলম্বে বিচারাধীন (ট্রায়াল) আদালতে পাঠানো হবে। আর এই নির্দেশ সামনে আসার পরই অভিষেকের গ্রেফতারির আশঙ্কা বাড়ল।

কী মামলা?
এই মামলাটি ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। কলকাতার একটি রাজনৈতিক সমাবেশে বিজেপি নেতা আকাশ বিজয়বর্গীয়কে উদ্দেশ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় 'গুন্ডা' বলেন। আর সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জটিল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে আকাশ বিজয়বর্গীয় ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতের দ্বারস্থ হন।

আর সেই মামলাতেই অন্তবর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয় কোর্ট। ১২ নভেম্বর ২০২৫ এমপি-এমএলএ আদালত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। আর এবার সেই নির্দেশ বাতিল করার নির্দেশ দিল মধ্যপ্রদেশ আদালত। যার ফলে যে কোনও মুহূর্তে অভিষেক গ্রেফতার হতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। 

চাপে অভিষেক...
৪ মে, ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ২০৮টি আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর এই হারের জন্য দলের অন্দরের সব তাবড় মুখ অভিষেকের দিকে আঙুল তোলেন। এমনকী দলের বিধায়ক এবং সাংসদদের একাংশ বিদ্রোহী হয়ে যান। আর সেই দায়ও চাপে গিয়ে অভিষেকের ঘাড়েই। 

মাথায় রাখতে হবে, ইতিমধ্যেই বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে তলব শুরু করেছে সিআইডি। আর এই মামলাতেও নাম জড়িয়েছে অভিষেকের। সেই মতো তাঁকে ইতিমধ্যেই দুইবার জেরা করা হয়েছে। যদিও এই মামলায় রক্ষাকবচ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হন তিনি। আদালত তাঁকে সুরক্ষা দেয়। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেয়। আর এই মামলা দুইবার ভবানীভবনে দুইবার জেরা হয়েছে তাঁর। 

এখানেই শেষ নয় অভিষেকের বিপদ। তাঁর উপর রয়েছে ডিজে মামলাও। ভোটের আগে করা এই মন্তব্যের জন্যও তাঁকে সিআইডি জেরা করেছে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলাতেও আবার ইডির নজরে রয়েছেন অভিষেক। সেই মতো তাঁকে দুইবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

Advertisement

এসব বাদেও আমফানের ত্রাণ দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। পাশাপাশি গরুপাচার, বালিপাচার সহ একাধিক মামলাতেও নাম জড়িয়েছে তাঁর। আর এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট অভিষেকের রক্ষাকবচ তুলে নিল। আর তাতে যে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের বিপদ অনেকটাই বাড়ল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার ঘটনাপ্রবাহ ঠিক কোন দিকে যায়। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement