Advertisement

'খাদ্যসাথী' প্রকল্পে বড় পদক্ষেপ, SIR দেখে ৬৩ লক্ষ নাম বাদ দিতে পারে প্রশাসন

রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের রেশন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রুখতে এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পে তহবিলের অপচয় কমাতে এবং ভুয়ো বা অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা থেকে বাদ দিতে ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার করছে সরকার।

প্রতিনিধি চিত্রপ্রতিনিধি চিত্র
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:39 PM IST
  • রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের রেশন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রুখতে এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
  • ‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পে তহবিলের অপচয় কমাতে এবং ভুয়ো বা অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা থেকে বাদ দিতে ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার করছে সরকার।

রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের রেশন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রুখতে এবার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পে তহবিলের অপচয় কমাতে এবং ভুয়ো বা অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা থেকে বাদ দিতে ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়াকে হাতিয়ার করছে সরকার।

দফতরের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এসআইআর ২০২৬-এর রিপোর্টের ভিত্তিতে যেসব উপভোক্তা অযোগ্য বলে চিহ্নিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬৩ লক্ষ এমন নাম চিহ্নিত হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে নির্দেশিকায় এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে, যাঁরা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন, তাঁদের রেশন পরিষেবা আপাতত চালু থাকবে যতক্ষণ না চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর পাশাপাশি রাজ্যের ‘খাদ্য সাথী’ প্রকল্পের আর্থিক অপচয় নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রশাসন। প্রায় দুই কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়ার এই প্রকল্পে বছরে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। সেই অর্থের ‘লিকেজ’ বন্ধ করতেই এবার গোটা রেশন ব্যবস্থার বিস্তারিত যাচাই শুরু হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসডিও ও বিডিও-দের মাধ্যমে অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি করে খাদ্য দফতরের কাছে পাঠানো হবে। এরপর মাঠপর্যায়ে গিয়ে যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে এবং অযোগ্যদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে।

সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, শুধু রেশন নয়, ধান সংগ্রহ ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরও এবার খতিয়ে দেখা হবে, যাতে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি না থাকে। সব মিলিয়ে, রেশন ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে রাজ্য সরকার এবার নজিরবিহীন কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বলে প্রশাসনিক মহল মনে করছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement