
বিদ্রোহী বিধায়ক ও এক এক করে কাউন্সিলরদের পদত্যাগে তৃণমূলের ভরাডুবি। ভোটে হারের এক মাসের মধ্যে ভেঙে চুরমার তৃণমূল। মেয়রের পদ থেকে ফিরহাদ হাকিমের ইস্তফার জল্পনাও চলছে। এরই মধ্যে কলকাতা পুরসভাকে বাঁচিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। যদিও মালা জানান, তাঁর কাছে এখনও মেয়রের ইস্তফাপত্র আসেনি।
আগামী ১৯ জুন পুর অধিবেশনের ডাক দিয়েছেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশমতো অধিবেশনের ডাক দেন। বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় পুর আইন মেনে মাসিক বৈঠক ডাকতে পারবেন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানান তিনি।
এছাড়াও বলেন, 'আমাদের অজান্তেই পোস্টপন্ড লেটার যখন পাঠানো হয়েছিল আমরা সে ব্যাপারে পুরে অন্ধকারেই ছিলাম। যেটা আইনে আছে সেই আইন মারফত সবটা হবে'।
দিনকয়েক আগে কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়। সজল ঘোষেরা প্রতিবাদ জানান। তৃণমূলের কাউন্সিলররা পুরসভায় গেলেও অধিবেশন কক্ষের দরজা বন্ধ ছিল। ভিতরে ঢুকতে পারেছিলেন না কাউন্সিলররা। এরপর নাটকীয়ভাবে পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অধিবেশন কক্ষের বাইরেই সভা করতে বসেন। আগামী ১৭ জুন ফের এই মামলার শুনানি।
বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় পুর আইন মেনে মাসিক বৈঠক ডাকতে পারবেন।
কলকাতা পুরসভা ভেঙে যেতে পারে এমন পরিস্থিতি এসে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলের হাতে পুরসভার ক্ষমতা বহাল রাখতেই অধিবেশন ডাকলেন মালা।