
তৃণমূল কংগ্রেস যখন ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে, তখন INDIA জোটের বৈঠকে গিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে সখ্য বাড়িয়ে রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সোমবার বিরোধীদের ওই মিটিংয়ে মমতাকে দেখা গেল সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে আলিঙ্গন করতে। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বললেন। সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পাশে বসলেন।
মমতাকে কি কংগ্রেস নেবে?
এখন প্রশ্ন হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বাঁচাতে যদি ফের কংগ্রেসে ফেরেন, তাহলে কি প্রদেশ কংগ্রেস স্বাগত জানাবে? bangla.aajtak.in-কে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বললেন, 'কংগ্রেসের আদর্শ নীতিকে বিশ্বাস করে এবং আরএসএস-র যে বিচারধারা ও বিজেপির যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে যাঁরাই লড়তে চান, তাঁদের জন্য কংগ্রেসের দরজা সব সময় খোলা। রাহুল গান্ধীকে আগামী দিনে যাঁরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেখতে চান, তাঁরা কংগ্রেসে আসলে, সবাইকে স্বাগত।'
রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী মুখ হিসেবে মেনে নিতে হবে
তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, রাহুল গান্ধীই হবেন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী মুখ, সেই বিষয়টি মেনে নিয়ে যাঁরা কংগ্রেসে যোগ দিতে চান, তাঁদের জন্য কংগ্রেসের দরজা সর্বদা খোলা রয়েছে। তাঁর কথায়, 'আমাদের দলে তাঁরা আসবেন, যাঁদের গায়ে দুর্নীতির দাগ নেই। তার কারণ, আমাদের কাছে সেই ওয়াশিংমেশিন নেই। আমাদের কাছে আসতে গেলে দম দরকার, ধক দরকার। এখানে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির ইস্যু নয়। সবাইকে স্বাগত। কোনও মানুষ যদি একদিন কংগ্রেসের বিরোধিতা করে থাকেন, তাঁরা যদি মনে করেন ভারত বাঁচানো দরকার, দেশ বাঁচানো দরকার, তাঁদের জন্য একমাত্র প্রধান সেনাপতি রাহুল গান্ধী।'
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসের পথে
বস্তুত, রাজ্যে পালাবদলের পরে বেশ কিছু সংখ্যক তৃণমূলকর্মী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন বলে খবর। বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের সিংহভাগ কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় সেখানকার পুরবোর্ড এখন কংগ্রেসের দখলে। সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন চেষ্টা করছে কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে চলে যাওয়া সেই সব নেতা, কর্মীদের কংগ্রেসে ফেরানো যায়।