Advertisement

Mamata Speech Today: 'মাথা নোয়াব না', প্রতীক হারানো থেকে নন্দীগ্রাম, ১০ ঘোষণা মমতার

Mamata Banerjee Press Conference: দীর্ঘ সময় পর সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সাংবাদিক বৈঠকে BJP-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত, আসন্ন উপনির্বাচন এবং নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন।

এদিন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা।  এদিন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা।  
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Sep 2026,
  • अपडेटेड 5:09 PM IST
  • দীর্ঘ সময় পর সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • সাংবাদিক বৈঠকে BJP-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
  •  কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা।  

Mamata Banerjee Press Conference: দীর্ঘ সময় পর সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সাংবাদিক বৈঠকে BJP-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূলের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত, আসন্ন উপনির্বাচন এবং নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন। এদিন কমিশনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন মমতা।  

১. ‘মধ্যরাতে গণতন্ত্রের হত্যা’
তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, 'মধ্যরাতে গণতন্ত্রের হত্যা করা হয়েছে'। তাঁর বক্তব্য, ভোটের এত কাছে এসে দলের প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেটাই বড় প্রশ্ন।

২. ‘মাথা নোয়াব না’, লড়াই চালানোর বার্তা
মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই পরিস্থিতিতে তাঁরা পিছিয়ে যাবেন না। তাঁর কথায়, 'মাথা নোয়ানোর প্রশ্ন নেই। আইনি এবং রাজনৈতিক ভাবে লড়াই চালিয়ে যাব।' তাঁর দাবি, উপনির্বাচনের কারণে আপাতত তাঁরা সাময়িকভাবে এই প্রতীক গ্রহণ করছে।

৩. তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে কী সিদ্ধান্ত কমিশনের?
নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসফুল’ প্রতীক ব্যবহারে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করে। দুই গ্রুপকেই নতুন নাম ও প্রতীকের পছন্দ জানাতে বলা হয়েছিল।  

মমতা অবশ্য কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে মানতে নারাজ। তিনি দাবি করেন, তৃণমূলের সাংগঠনিক নির্বাচন নিয়ম মেনেই হয়েছে। ব্লক থেকে জেলা, তার পর রাজ্য স্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

৪. ‘জোড়াফুল’ নিয়ে আবেগ মমতার
তৃণমূলের নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে আবেগের কথাও বলেন মমতা। তাঁর দাবি, অনেক সংগ্রাম এবং কর্মীদের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা প্রতীকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত।  

৫. বিদ্রোহীদের নিয়ে যা বললেন
তৃণমূলের যে অংশ দল থেকে আলাদা হয়েছে, তাদের নিয়েও আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ওই নেতারা তৃণমূলকে ভালোবাসেন না। বরং নিজেদের এবং নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতেই তাঁরা দলবদল করেছেন বলে দাবি করেন। বিজেপির সঙ্গে তাঁদের যোগসাজশের অভিযোগও তোলেন মমতা।  

Advertisement

৬. ‘কর্মীরা কেঁদেছেন’, প্রতীক নিয়ে আবেগ মমতার
প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পর দলের কর্মীদের প্রতিক্রিয়ার কথাও বলেন তিনি। মমতার দাবি, কর্মীরা সারা রাত কেঁদেছেন। অন্য দিকে বিরোধী শিবির আনন্দ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। চার মাস আগে যে প্রতীকে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জিতেছেন, সেটি কী ভাবে পরে ব্যবহার করা যাবে না, সেই প্রশ্নও তোলেন মমতা।

৭. নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন
প্রেস কনফারেন্সের অন্যতম বড় ঘোষণা নন্দীগ্রাম নিয়ে। মমতা জানান, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আর নতুন করে প্রার্থী দেবে না। সেখানে কংগ্রেসকে সমর্থন করবে তাঁর শিবির। তাঁর বক্তব্য, ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই ঘোষণার কিছুক্ষণ আগেই মমতা-শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে নন্দীগ্রাম থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।  

৮. রেজিনগর নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়
রেজিনগর উপনির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন ছিল। মমতা জানান, ওই আসনে কী করা হবে, তা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের মতো রেজিনগর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা করেননি তিনি।

৯. ইন্ডিয়া জোট নিয়ে বার্তা
মমতা জানান, বিরোধী দলগুলির সঙ্গে তাঁরা একসঙ্গে লড়াই করতে চান। তাঁর বক্তব্যে রাহুল গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের সমর্থনের কথাও উঠে আসে। বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন। 

১০. ‘তৃণমূলকে বুকে আঁকড়েই বাঁচব’
শেষ দিকে দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দেন মমতা। তাঁর কথায়, তৃণমূল কংগ্রেসকে বুকে আঁকড়েই তাঁরা থাকবেন। তিনি বাংলার মানুষকে দলের পাশে থাকার আবেদন জানান। একই সঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেন।   

Read more!
Advertisement
Advertisement