Advertisement

Mamata Banerjee: 'মা' আবেগ থেকে 'ঘর কা না ঘাট কা,' বিদ্রোহীদের ফেরাতে নরমে-গরমে যে ৫ বার্তা দিলেন মমতা

বিদ্রোহী তৃণমূল নেতাদের কড়া বার্তা মমতার। দলকে 'মা'-এর সঙ্গে তুলনা করে 'বিদ্রোহী'দের তীব্র আক্রমণ করেন। পাশাপাশি কর্মীদের ঐক্যের ডাক দেন। বিজেপির বিরুদ্ধে মতপ্রকাশে বাধার অভিযোগও তোলেন তিনি।

মমতা বলেন, 'নিচুতলার কর্মীদের রক্ত, ঘাম এবং আত্মত্যাগের উপরেই দলের ভিত দাঁড়িয়ে।'মমতা বলেন, 'নিচুতলার কর্মীদের রক্ত, ঘাম এবং আত্মত্যাগের উপরেই দলের ভিত দাঁড়িয়ে।'
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 26 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:22 PM IST
  • 'যে মা ছোট থেকে মানুষ করল, অসুস্থ হয়ে পড়তে তাকেই ছেড়ে গেল।'
  • বিদ্রোহী TMC নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এভাবেই অভিমান উগড়ে দিলেন মমতা।
  • ভার্চুয়াল বৈঠকে বিদ্রোহী বিধায়ক, দলত্যাগী সাংসদ এবং কাউন্সিলরদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

Mamata Banerjee: 'যে মা ছোট থেকে মানুষ করল, অসুস্থ হয়ে পড়তে তাকেই ছেড়ে গেল।' বিদ্রোহী TMC নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এভাবেই অভিমান উগড়ে দিলেন মমতা। ভার্চুয়াল বৈঠকে বিদ্রোহী বিধায়ক, দলত্যাগী সাংসদ এবং কাউন্সিলরদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও আর্জি জানান। 

মমতা বলেন, বর্তমানে রাজ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একের পর এক মামলা, গ্রেফতারি, চাকরি হারানো, হকার উচ্ছেদ এবং রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে বলে দাবি করেন মমতা।

মমতা বলেন, 'নিচুতলার কর্মীদের রক্ত, ঘাম এবং আত্মত্যাগের উপরেই দলের ভিত দাঁড়িয়ে। বুথ স্তরের কর্মী থেকে শুরু করে গ্রাম পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং বিভিন্ন স্তরের সংগঠনের কর্মীরাই দলকে শক্তিশালী করেছেন। ওঁদের লড়াইয়ের কারণেই এঁরা আজ নেতা হয়েছেন।'

দলত্যাগীদের নিশানা করে মমতা বলেন, 'যে মা সারাজীবন আপনাকে মানুষ করল, সেই মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ছেড়ে চলে যাওয়া যায় না।' তাঁর অভিযোগ, অনেকেই নিজেদের এবং পরিবারের স্বার্থ বাঁচাতে দল ছেড়েছেন। কেউ আইনি মামলার ভয়ে, কেউ সম্পত্তি রক্ষার চিন্তায় বিরোধী শিবিরে যোগ দিয়েছেন। এই ধরনের আচরণকে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেন।

মমতার বলেন, 'বিশ্বাসঘাতকদের কোনও ক্ষমা নেই। আজ হয়তো তাঁরা নিজেদের বাঁচাতে পেরেছেন। কিন্তু আগামিদিনে জনগণ এবং দলের কর্মীরাই তাঁদের কাছে হিসাব চাইবে।' তাঁর দাবি, যাঁরা দল না ছাড়লে বিজেপি এতটা দাপট দেখাতে পারত না। নিজেদের স্বার্থে তাঁরা কর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে গিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তৃণমূল নেত্রী।

যদিও এখনও যাঁদের মধ্যে অনুশোচনা রয়েছে, তাঁদের ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি। মমতার বক্তব্য, 'যাঁদের এখনও শুভবুদ্ধি রয়েছে, তাঁরা ফিরে আসুন। এখন যারা ভাবছেন পালিয়ে বাঁচবেন, তাঁরা শেষ পর্যন্ত কোথাও জায়গা পাবেন না।'

Advertisement

রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। পুলিশের কাজ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও এখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। সভা-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, বিরোধী মত দমন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করার অভিযোগও তোলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের একাংশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কিছু সংবাদমাধ্যমকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন।

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, 'পাঁচজন কর্মী এলেও ২১ জুলাইয়ের সভা হবে। এই কর্মসূচি আমাদের সংগ্রামের প্রতীক।'    

Read more!
Advertisement
Advertisement