Advertisement

Migrant Workers SIR: 'কাজ যায় যাক, ভোটটা দেব', দিল্লি, মুম্বই থেকে বাংলায় ফিরছেন কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক

কাজ থাকুক বা না থাকুক, ভোট দিতে মরিয়া হয়ে ছুটছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দেরাবাদ, যে যে প্রান্তে পরিযায়ীরা আছেন তাঁরা ফিরছেন বাংলায়। লক্ষ্য ভোট দেওয়া। SIR আতঙ্কে ভুগছেন পরিযায়ীরা। পাছে যদি ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে যায় কিংবা নাগরিক্তব হারিয়ে যায়। দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট ইতিমধ্যে ওয়েটিংয়ে চলছে। 

পরিযায়ী শ্রমিক (ফাইল ছবি)পরিযায়ী শ্রমিক (ফাইল ছবি)
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:22 PM IST

কাজ থাকুক বা না থাকুক, ভোট দিতে মরিয়া হয়ে ছুটছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দেরাবাদ, যে যে প্রান্তে পরিযায়ীরা আছেন তাঁরা ফিরছেন বাংলায়। লক্ষ্য ভোট দেওয়া। SIR আতঙ্কে ভুগছেন পরিযায়ীরা। পাছে যদি ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে যায় কিংবা নাগরিক্তব হারিয়ে যায়। দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট ইতিমধ্যে ওয়েটিংয়ে চলছে। 

পূর্ব দিল্লির ডাল্লুপুরার বাসিন্দা, পেশায় গৃহকর্মী পোড্ডা। তিনি জানান, "আমাদের ট্রেনের টিকিট সম্ভবত কনফার্ম হবে না। অনেক লম্বা ওয়েটিং লিস্ট। তাও আমরা রওনা হচ্ছি। কাজ গেলে যাক, কিছু যায় আসে না।" ভোট দিতে দৃঢৃপ্রতিজ্ঞ দক্ষিণ দিনাজপুরের ওই বাসিন্দা। দিল্লি থেকে নিজেদের গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন আট সদস্যের এই পরিবার।

তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর মতো কয়েকশো মানুষ আছেন যারা ভোট দেওয়ার জন্য বাংলায় ছুটছেন। কারণ তাঁদের ভয়, ভোট না দিলে তাঁরা তাদের নাগরিকত্ব হারাতে পারেন।

এবছরের ভোট দু'দফায় হতে চলেছে। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। প্রথম পর্ব শুরু হতে দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর মতো মেট্রো শহর এবং বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে গৃহকর্মী, আয়া, বাবুর্চি এবং কায়িক শ্রমিকসহ পরিযায়ী শ্রমিকদের মধ্যে বাংলায় পৌঁছনোর জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

পরিচারিকা ও আয়াদের মতোই, ভারতের মেট্রো শহর ও শিল্পকেন্দ্রগুলির বহু শ্রমজীবী ​​মানুষ ভোট দিতে ফিরছেন বাংলায়।

মুম্বইয়ের সোনা ও হিরের দোকানে কাজ করা কিছু শ্রমিক ট্রেনের টিকিট না পেয়ে বাসের ব্যবস্থা করছে। 

বাংলায় SIR নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা কীভাবে নাগরিকত্ব নিয়ে ভীতি জাগিয়ে তুলেছে?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রমাগত প্রচার করে চলেছেন এবার ভোট না দিলে ভোটাধিকার ও নাগরিকত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। মমতা দাবি করেন, "নির্বাচন কমিশন, বিজেপি এবং কেন্দ্র সংবিধান মানছে না। তারা ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আজ তারা ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে; কাল এনআরসি এনে নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে।" মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা ভয় ধরিয়েছে বাঙালিদের। পরিযায়ীদের মধ্যে এই ভীতিই কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

Advertisement

রাজ্যে পরিযায়ীদের ফিরে আসার আরও একটি কারণ হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি। অনেক পরিযায়ীদের কাজ নেই। গয়না প্রস্তুতকারক ইকরামুল হক শেখ বলেন, "এলপিজি সিলিন্ডারের ঘাটতির মধ্যেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে মালিকদের পক্ষে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। আমার একাধিক কারখানায় প্রায় ৪০ জন কারিগর কাজ করেন। তাদের অর্ধেক চলে গেছেন। শীঘ্রই আরও অনেকে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেনের অভাবে বাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোট দেওয়ার জন্য শ্রমিকদের যে দাবি, তার পিছনে SIR একটি প্রধান কারণ।” 

এসব পরিচারিকা ও কায়িক শ্রমিকদের বেশিরভাগের জন্যই, যাঁদের অনেকেই বড় শহর ও শিল্পাঞ্চল জুড়ে অসংগঠিত খাতে কাজ করেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন মানে হল নিজেদের দৃশ্যমান হওয়া এবং গুরুত্ব পাওয়া।

Read more!
Advertisement
Advertisement