Advertisement

Indranil Khan: সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টার 'লাইভ মনিটরিং', রেফার কমবে? যা বলছেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল

'লাইভ মনিটরিং' নিয়ে bangla.aajtak.in-কে আরও বিস্তারিত জানালেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা: ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি বলেন, 'ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বারবার এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনও সরকারি হাসপাতালে, মেডিক্যাল কলেজে কোনওভাবেই দালালেরা থাকতে পারবে না।

ডা: ইন্দ্রনীল খাঁডা: ইন্দ্রনীল খাঁ
সায়ন নস্কর
  • 01 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:30 PM IST
  • 'লাইভ মনিটরিং' নিয়ে bangla.aajtak.in-কে আরও বিস্তারিত জানালেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা: ইন্দ্রনীল খাঁ
  • ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বারবার এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন
  • তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনও সরকারি হাসপাতালে, মেডিক্যাল কলেজে কোনওভাবেই দালালেরা থাকতে পারবে না

নয়া বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে কড়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি রেফার রোগ দূর করা থেকে শুরু করে হাসপাতালের বেড বাড়ানো, পরিকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয়ে নিজের কড়া অবস্থান প্রকাশ করেছেন। এমনকী বাংলার মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে সারভাইক্যাল ক্যানসার টিকাকরণ কর্মসূচি উদ্বোধনের দিনই তিনি ঘোষণা করেন, স্বাস্থ্যভবন থেকে ২৪ ঘণ্টার ‘লাইভ মনিটরিং’ চলবে। এর মাধ্যমেই হাসপাতালে নজরদারি চালানো হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন। 

এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘হাসপাতালে কোনও দালালচক্র যাতে না চলে, কোনও রোগীকে যাতে রেফার না করে দেওয়া হয়, তা দেখার জন্য আমরা পেশাদার লোক নিয়োগ করছি। এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নেবে সরকার।'

আর স্বাস্থ্যভবনের এই 'লাইভ মনিটরিং' নিয়ে bangla.aajtak.in-কে আরও বিস্তারিত জানালেন রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা: ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি বলেন, 'ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বারবার এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনও সরকারি হাসপাতালে, মেডিক্যাল কলেজে কোনওভাবেই দালালেরা থাকতে পারবে না। সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতার অভাব অর্থাৎ নোংরা পড়ে আছে কি না, আবর্জনা পড়ে আছে কি না, টয়লেট বিকল হয়ে রয়েছে কি না, বেড না থাকার জন্য রোগী স্ট্রেচারে অ্যাডমিশনের জন্য অপেক্ষা করে যাচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মাধ্যমে।' 

স্বাস্থ্যক্ষেত্রের এই বর্তমান যথেচ্ছ পরিবেশের জন্য পুরনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকেই দায়ী করলেন তিনি। ইন্দ্রনীলের অভিযোগ, 'গত ১০ বছর-১৫ বছর ধরে আমরা এই পরিস্থিতি দেখে আসছি। সেই পরিস্থিতি যাতে না থাকে, সেই কারণে সরকারি হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলোকে সিসিটিভি-র মাধ্যমে কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি করা হবে। সেরকম পরিস্থিতির সেরকম ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।'

তিনি জানালেন, এই কন্ট্রোল রুম থেকেই মনিটরিং হবে। সেখানে ২৪ ঘণ্টার মনিটরিং রুম থাকবে। স্বাস্থ্যভবন থেকে দেখা হবে। কোথাও যদি দালাল ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়, কোনও অবৈধ গতিবিধি দেখা যায়, অবৈধ ঠেক দেখা যায়,পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব দেখা যায়, মানুষকে যদি ভর্তির জন্য দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement

মানুষকে পরিষেবা দিতে হবে
তাঁর আরও দাবি, এখন থেকে সব স্বাস্থ্যকর্মীদের ঠিক ঠাক কাজ করতে হবে। সময়ে হাসপাতালে রিপোর্ট করতে হবে। মানুষকে পরিষেবা দিতে হবে। তিনি বলেন, 'মানুষ হাসপাতালে গিয়ে যাতে পরিষেবা পায়, স্বাস্থ্যকর্মীরা কোথায় কাজ করছেন সেটা যাতে জানা যায়, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।'

স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে
ইন্দ্রনীল বলেন, 'চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো লাগানো হয়েছিল। কিন্তু আমরা আরজি করে দেখেছি অর্ধেকের বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বিকল হয়ে পড়ে আছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন সিসিটিভি ক্যামেরা যা হাসপাতালগুলোতে আছে সেগুলো কাজ কিনা চেক করুন। যেখানে নেই, কোনও ব্ল্যাঙ্ক বা ব্লাইন্ড স্পট কিছু থাকলে, তো সেই জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানেও সিসিটিভি বসান। যাতে স্বাস্থ্যকর্মী যাঁরা আছেন—চিকিৎসক, নার্স তাঁদের নিরাপত্তা থাকে, রোগীদের নিরাপত্তা থাকে, এবং কোনও ধরনের অবৈধ গতিবিধি যেন না থাকে হাসপাতালগুলোতে।'

সবশেষে তাঁর মন্তব্য, 'হাসপাতাল হওয়া উচিত আরোগ্য মন্দির। যেখানে মানুষ যাবে। রোগীরা যাবে। সুস্থ হয়ে আবার বাড়ি চলে আসবে।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement