
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা না পাওয়ায় জেলায় জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে। বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন মহিলারা। এত সময় কেন লাগছে, কারও ঢুকছে কারও ঢুকছে না। এই নিয়ে ব্যাপক অভিযোগের মাঝে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মুর্শিদাবাদ সফর করলেন শুভেন্দু। শুক্রবার বহরমপুরে গিয়ে তিনি সমস্ত স্কিম নিয়ে দুর্নীতি প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। পাশাপাশি, এই সমস্যা মেটাতে ২ মাস সময় চেয়ে নেন।
শুভেন্দু বলেন, "এখানে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এডিএম জেলা পরিষদ যে টেন্ডার করেছেন তাদের ক্রেডেনশিয়ালে অধিকাংশ জাল। ৬০০টি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ভুয়ো, ৩৫০০ সংখ্যালঘু স্কলারশিপের অ্যাকাউন্ট ভুয়ো সব ক্ষেত্রে ভুয়ো। SC, ST না হয়েও ভাতা নিচ্ছে। এমনকি শারীরিকভাবে অক্ষম নয় তাও ভাতা নিচ্ছে। আমরা ভেরিফিকেশন করছি। এক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে KYC ঠিক আছে কিনা, আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক আছে কিনা এসব দেখতে গিয়েই হাজার হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ধরা পড়ছে। ২ মাস সময় দিন। বিডিওরা কথা দিয়েছেন সমস্ত সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্কিম ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করবে। যারা ভুয়ো কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন স্কিম রিভিউ করা হয়েছে। দু'মাস সময় নেওয়া হয়েছে। গঙ্গা ভাঙন নিয়েও একটি প্রোপোজাল পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্র-রাজ্য সরকার একত্রে এই টাকা দেবে। ১২ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন। অন্নপূর্ণা, বার্ধক্য ভাতা সহ সব স্কিম ধরলে একটা পরিবার ১৫ হাজার টাকা পেতে পারেন। তবে ভেরিফিকেশনের কাজ করতে সময় লাগছে। এটি সম্পূর্ণ হলেই সকলের কাছে টাকা পৌঁছবে।