Advertisement

Nabanna SOP: চোরবাগান থেকে শিক্ষা, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো নিয়ে বড় নির্দেশিকা নবান্নের

চোরাবাগানের দুর্ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়। জগদ্ধাত্রী পুজোর আগে সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি নিরাপত্তা, ভাসানের সময় সাবধানতা; সমস্ত দিকেই নজর দিতে চাইছে নবান্ন।

ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি নিরাপত্তা, ভাসানের সময় সাবধানতা; সমস্ত দিকেই নজর দিতে চাইছে নবান্ন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি নিরাপত্তা, ভাসানের সময় সাবধানতা; সমস্ত দিকেই নজর দিতে চাইছে নবান্ন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 Nov 2026,
  • अपडेटेड 3:45 PM IST
  • চোরাবাগানের দুর্ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়।
  • প্রকাশিত হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর(SOP)।
  • তালিকা মেনেই চলতে হবে পুজো উদ্যোক্তা থেকে প্রশাসন, সকলকেই। 

চোরাবাগানের দুর্ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়। জগদ্ধাত্রী পুজোর আগে সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নি নিরাপত্তা, ভাসানের সময় সাবধানতা; সমস্ত দিকেই নজর দিতে চাইছে নবান্ন। শুধু জগদ্ধাত্রী পুজোই নয়। কালীপুজো, দীপাবলি, কার্তিক পুজো এবং ছটের ক্ষেত্রেও এই সাবধানতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। শুধু মৌখিক নির্দেশ নয়। প্রকাশিত হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর(SOP)। এই নির্দেশিকার তালিকা মেনেই চলতে হবে পুজো উদ্যোক্তা থেকে প্রশাসন, সকলকেই। 

উল্লেখ্য, এই নির্দেশিকায় প্রধান নজর দেওয়া হয়েছে ভিড় নিয়ন্ত্রণে। প্যান্ডেলে যাতে পর্যাপ্ত আলো থাকে, প্রবেশ-প্রস্থানের প্যাসেজে যেন যথেষ্ট স্থান থাকে; সেদিকে নজর রাখতে হবে। 

উল্লেখ্য, গত  ২৮ অক্টোবর এই নিয়ে নবান্নে মিটিং করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বৈঠক করেন অগ্নিমিত্রা পলও। এরপরই স্থানীয় প্রশাসন এবং পুরসভাগুলির জন্য SOP তৈরি করে নবান্ন। 

ইতিমধ্য়েই, গত ৩১ অক্টোবর থানা, দমকল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পুরসভার আধিকারিকরা একটি কো-অর্ডিনেশন মিটিং সেরেছেন।

প্যান্ডেলের প্ল্যানিং
আগেই বলা হয়েছে, প্যান্ডেলের প্ল্যানে বাড়তি জোর দেওয়া হয়েছে। চোরবাগানের ঘটনার মতো যেন গলদ না থাকে, তাতে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি মন্ডপের নকশা নিয়ে মহকুমাশাসকের সঙ্গে পুলিশকে আলোচনা করে দেখতে হবে। 

কালীপুজোয় বারাসাত এলাকা, জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগরে দুর্গাপুজোর মতোই ভিড় হয়। সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য় প্রতিটি মণ্ডপে পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে থানাগুলিকে পুলিশও মোতায়েন করতে হবে। বড় পুজোগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স এবং প্রতিটি মণ্ডপে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আগুন
অগ্নিকাণ্ড এড়াতে প্রতিটি এলাকায় দমকলবাহিনীকে ১৫-২০ মিনিটে পৌঁছানো যাবে, এমনভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র দিতে হবে পুজো মণ্ডপগুলিতে। পাশাপাশি, মণ্ডপের কাছে যাতে বাজি পোড়ানো না হয়, সেদিকেও নজর রাখবে প্রশাসন। 

 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement