Advertisement

Nandigram By Election 2026: নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মিলন প্রধান, তারপর...

২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলন হয়েছিল। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মিলন প্রধান।

২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলন ও কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলন ও কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান
Aajtak Bangla
  • নন্দীগ্রাম,
  • 21 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:07 AM IST
  • কে এই মিলন প্রধান? নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ
  • সোনাচূড়ায় নিজের বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন
  • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন জাতীয় রাজনীতিতেও চর্চায়

উপনির্বাচন নিয়ে সাধারণত এত চর্চা হয় না। শাসদকদল অনায়াসেই জিতে যায়। অতীতে সেই ট্রেন্ডই দেখা গিয়েছে। কিন্তু নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন একেবারে জাতীয় রাজনীতির চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই পুরনো একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আপাতত লক-আপে রয়েছেন তিনি। কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, লক-আপে থেকেই ভোটে লড়বেন মিলন।

কে এই মিলন প্রধান? নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ

২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলন হয়েছিল। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনকে হাতিয়ার করেই পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মিলন প্রধান। সেই সময় শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠেন। সেই মিলন প্রধান কংগ্রেসের প্রার্থী। ২০০৭ সালে বাম সরকারের বিরুদ্ধে যে জমি আন্দোলন হয়েছিল নন্দীগ্রামে, সেই আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন মিলন। ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে হিংসার ঘটনায় কম করে ৬৩ জনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই দলে মিলনেরও নাম রয়েছে। 

নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা ২০০৭

সোনাচূড়ায় নিজের বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন

সেই সময় তথাকথিত সরকারপন্থী দুষ্কৃতীদের হামলার পর সোনাচূড়ার নিজের বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন মিলন প্রধান। তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং আংশিকভাবে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। তাঁর বাবা-মাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর প্রাণ বাঁচাতে মিলন প্রধানকে নন্দীগ্রামের একটি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন জাতীয় রাজনীতিতেও চর্চায়

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের গুরুতর অভিযোগ, মিলনকে ক্রমাগত মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মিলন প্রধানের গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। এক্স-এ লেখেন, 'নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা ভোট চুরি এবং নির্বাচন চুরির নির্লজ্জ চেষ্টা। বিজেপি এতটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে যে, একটি উপনির্বাচনেও তারা এজেন্সিগুলির অপব্যবহার করে বিরোধী দলের প্রার্থীকে নিশানা করছে এবং গ্রেফতার করছে। ঐক্যবদ্ধ INDIA জোট এর বিরুদ্ধে লড়াই করবে।'

Advertisement

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত বিরোধী দলনেতা এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিল তাঁর দলই। ২০০৭ সাল থেকে প্রধানের বিরুদ্ধে তিনটি খুনের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। নির্বাচনের সময় পুলিশের পক্ষে আগের থেকে জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা বাধ্যতামূলক।

Read more!
Advertisement
Advertisement