Advertisement

Nandigram By-Election Result: শুভেন্দুকেও ছাপিয়ে গেলেন হাসিরানি! নন্দীগ্রামের সব রেকর্ড ভাঙল BJP

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিপুল জয় হাসিরানি রথের। প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ভোটে জিতেছেন। তারপরে সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিরানি রথকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভেন্দু।

হাসিরানি রথকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভেন্দু। হাসিরানি রথকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভেন্দু।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 09 Oct 2026,
  • अपडेटेड 5:05 PM IST
  • নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিপুল জয় হাসিরানি রথের। 
  • সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিরানি রথকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভেন্দু।
  • সংখ্যালঘুদের একাংশের সমর্থন পাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন শুভেন্দু।

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিপুল জয় হাসিরানি রথের। প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোটে জিতেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিরানি রথকে শুভেচ্ছা জানালেন শুভেন্দু। বললেন, 'আমি নন্দীগ্রামের মানুষকে আবদার করেছিলাম, আমার থেকেও বেশি ভোটে হাসিরানি রথকে জিতিয়ে দিন। মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন হাসিরানি রথ।'

এর আগে ২০১৬ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী প্রায় ৮২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন।  

উল্লেখ্য, উপনির্বাচনের আগে ভোটের প্রচারে গিয়ে নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে বিশেষ আর্জি রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপনির্বাচনে তাঁর জয়ের ব্যবধানকে পিছনে ফেলারই লক্ষ্য দিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত হলও তাই।

জয়ের ব্যবধান বাড়ানোই লক্ষ্য ছিল, বলছেন হাসিরানি
গণনা শেষ হওয়ার আগেই আত্মবিশ্বাসী মেজাজে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হাসিরানি জানান, শুরু থেকেই তাঁদের লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবধানে জয়।  

ভোটের ফলে সংখ্যালঘুদের একাংশের সমর্থন পাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন হাসিরানি। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নের বার্তা ভোটারদের একাংশের কাছে পৌঁছেছে। সেই কারণেই বিজেপির পক্ষে সমর্থন বেড়েছে বলে মনে করছেন তিনি। 

রেজিনগরেও এগিয়ে বিজেপি
উল্লেখ্য, উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বড় দাবি করেন শুভেন্দু। শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মুসলিম ভোটারদের একটি বড় অংশ বিজেপির পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তাঁর দাবি, বিজেপিকে নিয়ে যে ভয় দেখানো হয়েছিল, গত পাঁচ মাসের সরকারের কাজ দেখে সেই ধারণা বদলেছে।

শুভেন্দুর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে, ডিটেনশন শিবিরে আটকে রাখা হবে কিংবা ধর্মাচরণের স্বাধীনতা থাকবে না; এমন প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকারের কাজ দেখে সংখ্যালঘুদের একাংশ সত্যিটা বুঝেছেন, দাবি তাঁর।  

Read more!
Advertisement
Advertisement