Advertisement

Sharadwat Mukherjee Statement: '৯৬ ঘণ্টা ডিউটি নয়, স্টেশনে থাকতে হবে ডাক্তারদের', বিতর্কের মাঝেই bangla.aajtak.in-কে বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারি চিকিৎসকদের ডিউটি আওয়ার্স ৯৬ ঘণ্টা! এই নিয়েই বিতর্ক চরমে উঠেছিল। যদিও বিষয়টা নিয়ে মুখ খুললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়
সায়ন নস্কর
  • কলকাতা,
  • 13 Jul 2026,
  • अपडेटेड 11:07 AM IST
  • সরকারি চিকিৎসকদের ডিউটি আওয়র্স ৯৬ ঘণ্টা
  • এই নিয়েই বিতর্ক চরমে উঠেছিল
  • বিষয়টা নিয়ে মুখ খুললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়

'৯৬ ঘণ্টা ডিউটির কথা বলা হয়নি। ৯৬ ঘণ্টা স্টেশনে থাকতে বলা হয়েছে।', শিক্ষক চিকিৎসকদের ডিউটি আওয়ার্স নিয়ে বিতর্কের মুখে bangla.aajtak.in-কে এমনটাই বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: শ্বারদ্বত মুখোপাধ্যায়।  

তিনি বিষয়টার আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, '৯৬ ঘণ্টা স্টেশনে থাকলে কোনও সময় কোনও রোগীর দরকার পড়লে, তাঁরা চলে আসতে পারবেন। বেশিরভাগ সময় এঁরা কলকাতায় থেকে যান। ২ থেকে আড়াই দিনের মাথায় ফিরে আসেন। ধরুন কোচবিহারে পোস্টিং, ২ রাত থাকল বা ৩ রাত থাকল, তারপর ফিরে এল। তাই ৯৬ ঘণ্টা স্টেশনে থাকার কথা বলা হয়েছে। আমরা এতটা অমানবিক নই যে ৯৬ ঘণ্টা ডিউটির কথা বলব।'

প্রসঙ্গত, রবিবার একটি সংগঠনের সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখনে তিনি সরকারি চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ধরন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘বহু শিক্ষক–চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে পাশের নার্সিংহোমে বেশি সময় কাটান। ফলে রোগীদের সেখানেই যেতে বাধ্য হতে হয়।’ 

এখানেই শেষ না করে তিনি দাবি করেন, নন-প্র্যাকটিসিং অ্যালাওয়েন্স না নিলে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বার বা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার অধিকার রয়েছে। তবে সেটা অবশ্যই ডিউটি আওয়ার্সের বাইরে। পাশাপাশি এই সময়ই তিনি সপ্তাহে অন্তত '৯৬ ঘণ্টা' হাসপাতালে থাকার প্রসঙ্গ তোলেন। এরপরই শুরু হয় জোর বিতর্ক। চিকিৎসক সংগঠনগুলি তাঁর অধিকাংশ কথার সমর্থন করেও '৯৬ ঘণ্টা' নিয়ে একবার ভেবে দেখার দাবি তোলে। 

এই প্রসঙ্গে আইএমএ-এর সম্পাদক ডা: শান্তনু সেন বলেন, 'সরকারি নোটিশ আমি দেখিনি। তবে একথা ঠিক, বহু সরকারি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী সঠিকভাবে ডিউটি করেন না। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা প্রতিদিন নিজের কাজের জায়গায় যানও না। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সরকারি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ করা উচিত। পাশাপাশি সরকারি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বার্থও যাতে সুরক্ষিত থাকে, তাঁদের উপর যাতে অতিরিক্ত কাজের বোঝা না চাপে, সেটাও নতুন সরকার দেখবে বলে আশা রাখি।'

Advertisement


জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক সংগঠন এনএমও-এর সম্পাদক ডা: অর্ণপ পাল বলেন, 'একথা ঠিক যে পশ্চিমবঙ্গে অনেক প্রফেসর রয়েছেন, যাঁরা ডিউটি আওয়ার্সের মধ্যে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন। এটা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী এটা বন্ধ করতে যা উদ্যোগ নিয়েছেন, তার সাধুবাদ জানাই।' পাশাপাশি ৯৬ ঘণ্টা ডিউটির বিষয়টি নিয়ে আরও একবার মানবিকভাবে ভেবে দেখবার দাবিও তোলেন তিনি। 


অ্যাসোসিয়েশন অব হেলথ সার্ভিস ডক্টরর্সের সম্পাদক ডা: উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, 'অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্মীই ঠিক ঠাক কাজ করেন। বিগত সরকারের আমলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিহিংসামূলক পোস্টিং হয়েছে। অনেককেই বাড়ির থেকে বছরের পর বছর দূরে রাখা হয়েছে। সেই পোস্টিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা রাখছি।'

তবে এহেন বিতর্কের মাঝেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়ে দিলেন, তিনি ৯৬ ঘণ্টা হাসপাতালে কাজের কথা বলেননি। বরং যেখানে চিকিৎসকের পোস্টিং রয়েছে, সেখানে থাকার কথা বলেছেন। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement