Advertisement

Suvendu Adhikari on Chinmoy Krishna Das: 'আমাদের অবস্থাও চিন্ময় প্রভুর মতো হতো', হিন্দুদের সতর্ক করলেন শুভেন্দু

কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের ঘটনা নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি রাজ্যবাসীকে মনে করিয়ে দেন, ওপার বাংলার চিন্ময় প্রভুর চোখের জল গোটা পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয় নাড়িয়ে গিয়েছে।

চিন্ময়কৃষ্ণ দাস নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? (ছবি: পিটিআই এবং রয়টার্স)চিন্ময়কৃষ্ণ দাস নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? (ছবি: পিটিআই এবং রয়টার্স)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 12 Sep 2026,
  • अपडेटेड 1:16 PM IST
  • কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
  • সেখানেই চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের ঘটনা নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী
  • ওপার বাংলার চিন্ময় প্রভুর চোখের জল গোটা পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয় নাড়িয়ে গিয়েছে

দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন বাংলাদেশের জেলবন্দি হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা। ইচ্ছে ছিল ছেলের সঙ্গে দেখা করার। কিন্তু জেল থেকে মুক্তির অনুমতি দেয়নি সরকার। তবে মায়ের মৃত্যুর পর ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পান তিনি। চোখের জলে মায়ের শেষকৃত্যে যোগ দেন। আর এই ঘটনা নিয়েই আজ হিন্দু বাঙালিদের সতর্ক করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মতে, হিন্দু বাঙালিদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ তৈরি না হলে, তাদের অবস্থাও চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মতোই হতো।   

আজ কেষ্টপুরে গণেশ পুজোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের ঘটনা নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি রাজ্যবাসীকে মনে করিয়ে দেন, 'ওপার বাংলার চিন্ময় প্রভুর চোখের জল গোটা পৃথিবীর সনাতনীদের হৃদয় নাড়িয়ে গিয়েছে। আমি ওই চোখের জল দেখতে দেখতে ভাবছিলাম, আমরা যদি সেই দিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বা স্বামী প্রণবানন্দের লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতভুক্তি না পেতাম, তাহলে আজকে আমাদের অবস্থাও হয়তো চিন্ময় প্রভুর মতো হতো।'

এখানেই শেষ না করে তিনি নিজের ব্যক্তিগত যন্ত্রণার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'আমার নিজের জীবনে যন্ত্রণা রয়েছে। কেবলমাত্র হিন্দু পরিচয়ের জন্য আমার মাতৃদেবকেও তাঁর পিতৃদেবের হাত ধরে ওপার বাংলা থেকে পালিয়ে আসতে হয়েছে।' 

এই সময় রাজ্যবাসীকে পশ্চিমবঙ্গ তৈরির ইতিহাস মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, 'আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হওয়ার পিছনে এক ইতিহাস রয়েছে। ১৯৪৭-এর ২০ জুন, বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড এই পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয়। এখানে বিগত ৪৯ বছরের মধ্যে ৩৪ বছর ধর্মকে আফিম যারা বলেছে, তারা রাজত্ব করেছে। ১৫ বছর গ্রেটার বাংলাদেশ তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে। এই দুইয়ের পরিবর্তন ঘটিয়ে প্রায় ৫০ বছর পর এমন একটি সরকার তৈরি হয়েছে, যারা বহুজন হিতায়, বহুজন সুখায়, এই নীতিতে বিশ্বাস করে। এই সরকার বাঙালি হিন্দুর হোমল্যান্ড তৈরির জন্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও স্বামী প্রণবানন্দের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চায়।'

Advertisement


সিপিআইএম-কে আক্রমণ
এই অনুষ্ঠান থেকেই কমিউনিস্টদের আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'আমাদের ৩৪ বছর যারা পুজো লিখতে দেয়নি, তারাই আমাদের পঞ্জিকা, শাস্ত্র, ঐতিহ্য, পুরোহিত, মন্ত্রচারণ,পরম্পরা, ঘটোত্তলন, নিরঞ্জন, আরতি, পুষ্পাঞ্জলী, প্রসাদ, সাত্ত্বিকতা সব ভুলিয়ে দিয়েছিল। লাল রাজত্বের সেই লোকেরা দুর্গাপুজো লিখবে না। তারা মহালয়া শুনবে না, মণ্ডপে প্রবেশ করে মাকে আরতি করবে না, হাতে ফুল নিয়ে বাসন্তী রূপচরিতে সর্বশত্রু বিনাশিনী, রূপংদেহী জয়ংদেহী, যশোদেহী বলবে না। প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত।' 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement