Advertisement

Paddy crop under water: জলে ডুবেছে জমি, ধান বেঁচে যাবে, টিপসগুলি রইল, লোকসান হবে না

টানা বৃষ্টি ও ডিভিসি-র ছাড়া জলের কারণে রাজ্যের অনেক জেলাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মাঠ-ঘাট সব জলে ডুবে গিয়েছে। তাই ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

জলে ডুবেছে জমি, ধান বেঁচে যাবে, টিপসগুলি রইল, লোকসান হবে নাজলে ডুবেছে জমি, ধান বেঁচে যাবে, টিপসগুলি রইল, লোকসান হবে না
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 18 Sep 2024,
  • अपडेटेड 1:41 PM IST
  • টানা বৃষ্টি ও ডিভিসি-র ছাড়া জলের কারণে রাজ্যের অনেক জেলাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে
  • ধানজমিও জলের তলায় চলে গিয়েছে

টানা বৃষ্টি ও ডিভিসি-র ছাড়া জলের কারণে রাজ্যের অনেক জেলাতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মাঠ-ঘাট সব জলে ডুবে গিয়েছে। তাই ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। কারণ ধানজমিও জলের তলায় চলে গিয়েছে। দ্রুত জল না নামলে ধান গাছের গোড়া পচে যাবে। চাষিদের এই সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। জল নামলে ধানে আগাছা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞের পরামর্শে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করা খুবই জরুরি। তবে এর পাশাপাশি ধানের ফসলের উন্নতির জন্য কৃষকদের অনেক ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশেষ করে কোনও কৃষক যদি তার জমিতে আগাম জাতের ধান রোপণ করে থাকেন, তাহলে সেপ্টেম্বর মাসে খুব যত্ন নিতে হবে। জমিতে জলের স্তর বজায় রাখতে হবে। অনেক সময় ধানজমিতে পর্যাপ্ত জল না থাকার কারণে শিষ ভাল হয় না। ধানের ফলনও ভাল হয় না। এই পরিস্থিতিতে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে বন্যার জল কমার পরে কৃষকদের ভাল ছত্রাকনাশক ব্যবহার করা উচিত, যাতে ধান বাঁচানো যায়।

আর এবার কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ধানক্ষেতে ঘাস গজায়। কৃষকদের ঘাস মেরে ফেলতে হবে। কারণ এটি আমাদের ফসলের জন্য ব্যবহৃত সারের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। এর পাশাপাশি ধ্যানের ফলনও কমে যায়। এর পাশাপাশি পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ স্প্রে করতে হবে। সময়ে সময়ে ক্ষেতে ওষুধ স্প্রে করলে ধানের ফলন ভাল হবে। দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতার কারণে ধানগাছে ছত্রাকের আক্রণের সম্ভাবনা থাকে। যার কারণে ধানগাছের পাতা হলুদ হতে শুরু করে এবং গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

তবে, টানা বৃষ্টিতে শুধু ধান চাষে নয়,  আনাজ চাষেরও ক্ষতি খানিকটা হয়েছে। জলের কারণে নষ্ট  হয়ে গিয়েছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টোম্যাটো, পালং শাকের চারা। এছাড়াও নষ্ট হয়েছে লঙ্কা, পটল, ঢ্যাঁড়শ, করলা, কুঁদরি, বেগুন ও শসার মতো আনাজও। তাই পুজোর আগে আনাজ বাজার ফের আগুন হওয়ার সম্ভাবনা।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement