
হাসপাতালে বিষধর গোখরো সাপ। তাও আবার ওষুধ রাখার স্টোররুমে! সাপ দেখেই আতঙ্কিত স্বাস্থ্যকর্মী। ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। এমনকী সাপের আতঙ্কে চিকিৎসা না করেই হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন রোগীরাও। পরপর দুদিন হাসপাতালে সাপের দেখা মেলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রোগীদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সেই বিষধর সাপ উদ্ধার করতে ছুটে আসতে হল এক পরিবেশকর্মীকে। ঘটনাটি কোচবিহারের হলদিবাড়ি ব্লকের দেওয়ানগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের হুদুমডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওষুধ রাখার স্টোররুমে একটি বিষধর গোখরো সাপ দেখতে পান এক স্বাস্থ্যকর্মী। ওষুধ নেওয়ার জন্য স্টোররুমের দরজা খুলতেই তাঁর চোখে পড়ে সাপটি। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিল বিষধর গোখরো। পরপর দুদিন হাসপাতালের ভিতরে সাপ ঢুকে পড়ায় আতঙ্কিত স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসা রোগী এবং তাঁদের আত্মীয়রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করেন পরিবেশকর্মী সুমন দাসের সঙ্গে।
খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন সুমন দাস। স্টোররুমে গিয়ে তিনি দেখতে পান ওষুধ রাখার ঘরের ভিতরেই রয়েছে গোখরো সাপটি। এরপর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করার কাজে নামেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিষধর গোখরোটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন পরিবেশকর্মী। পরে সাপটিকে তার স্বাভাবিক বাসস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী মিঠু রায় জানান, আগের দিনও একটি সাপ হাসপাতালে ঢুকেছিল। এদিন ফের অন্য একটি সাপ স্টোররুমে পাওয়া যায়।
অন্যদিকে পরিবেশকর্মী সুমন দাস জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি দেখেন, ওষুধ রাখার স্টোররুমে একটি গোখরো সাপ রয়েছে। এরপর সাপটিকে উদ্ধার করে তার স্বাভাবিক বাসস্থানে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়েও।
রিপোর্টার- মনসুর হাবিবুল্লাহ