Advertisement

Humayun Kabir: 'স্যাটা ভাঙার' হুমকি দিয়ে বিপাকে 'বাবরি' হুমায়ুন, বাড়িতে পুলিশের নোটিশ

'স্যাটা ভাঙা মারের' হুমকি দিয়েছিলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এবার সেই বিতর্কিত কথার জন্যই পড়লেন বিপাকে। তাঁর বাড়িতে গেল পুলিশ।

হুমায়ুন কবীরহুমায়ুন কবীর
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:32 PM IST
  • 'স্যাটা ভাঙা মারের' হুমকি দিয়েছিলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর
  • এবার সেই বিতর্কিত কথার জন্যই পড়লেন বিপাকে
  • তাঁর বাড়িতে গেল পুলিশ

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার পর এবার আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গেল রাজ্য পুলিশ। তাঁর বাড়িতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যতদূর খবর, তাঁকে তলব করছে রেজিনগর ও শক্তিপুর থানা। 

মাথায় রাখতে হবে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের জনসভায় বিরাট হুমকি দিয়েছেন হুমায়ুন। সেই 'স্যাটা ভাঙা মার' ইস্যুতে বিধানসভায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই কড়া অ্যাকশনে নেমে পড়েছে পুলিশ। সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় রেজিনগরে ওই সভার আয়োজক আমিনুল শেখ ও গোলাম মোস্তাফাকে। আর এবার হুমায়ুনের বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ। তাঁর বাড়িতেও দেওয়া হল নোটিশ। 

কী বলেছিলেন হুমায়ুন? 
রেজিনগরের সভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর চড়ান হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, 'ভরতপুরে ভোটে হেরেও লাফাচ্ছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছি, ভোটে জিতেছেন ঠিক আছে, কিন্তু মুর্শিদাবাদে কম আস্ফালন করতে বলতে হবে। আমি ময়দানে নামলে বিজেপির পতাকা ধরার লোক থাকবে না।'

এর পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, 'আমি যে দিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব, সে দিন স্যাটা ভাঙা মার শুরু হবে। সেই দিন আপনাদের পতাকা ধরার লোকও থাকবে না।'

আর এই 'স্যাটা ভাঙা মার' হুঁশিয়ারি নিয়েই বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

কী বলেন মুখ্যমন্ত্রী? 
সোমবার বিধানসভায় স্যাটা ভাঙা মার প্রসঙ্গে বিবৃতি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্টতই জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে মতো দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী তিনি নন। তিনি শক্তিশালী। তাই এই ঘটনায় তিনি কড়া অ্যাকশন নেবেন বলেও জানিয়ে দেন। 


তিনি হুমায়ুনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এনাফ ইজ এনাফ। যারা ওই সভায় আপনাকে ডেকেছিল, আগে তাদের তুলব। তারপর আপনার কাছে যাব। আর এটাই আপনার শেষ বক্তব্য। এভাবে আপনাকে বেপরোয়া মন্তব্য আর করতে দেব না, দেব না, দেব না।'

যদিও তাঁর এই বক্তব্যের পরও নিজের কথায় অনড় ছিলেন হুমায়ুন। বিধানসভার বাইরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 
'আমি ক্ষমা চাওয়ার মতো কোনও কথা বলিনি। ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।'

Advertisement

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই কাজে নেমে পড়েছে পুলিশ। প্রথমত পুলিশ গ্রেফতার করল আয়োজকদের। তারপর হুমায়ুনের বাড়িতে গেল নোটিশ। এখন দেখার জল ঠিক কতদূর গড়ায়। আরও কড়া অ্যাকশন নেয় কি না সরকার।

 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement