Advertisement

Abhishek Banerjee: 'ফেরানো হোক TMC সরকার, আবার ভোট হোক ৬ মাসে', সুপ্রিম কোর্টের কাছে আর্জি অভিষেকের

আদালতের পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক লেখেন, 'কী সুবিধাজনক গণতন্ত্র! কারচুপি করা জনাদেশের ভিত্তিতে যদি একটি পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠিত হতে পারে, তাহলে নির্বাচনী বৈধতার আর কী অর্থ থাকে? এই যুক্তি মেনে চললে, বর্তমান রাজ্য সরকারকে অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।'

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি: পিটিআই)অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি: পিটিআই)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:59 AM IST
  • কারচুপি করা জনাদেশের ভিত্তিতে যদি একটি পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠিত হতে পারে
  • তাহলে নির্বাচনী বৈধতার আর কী অর্থ থাকে?
  • বর্তমান রাজ্য সরকারকে অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের বৈধতা নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্টের উচিত বাংলায় আগে নির্বাচিত (তৃণমূল) সরকারকে পুনর্বহাল করা। সেই সঙ্গে ছ'মাসের মধ্যে নতুন করে ভোট করানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।

ওদিকে SIR প্রক্রিয়ায় ভোটারদের তথ্য যাচাই করার জন্য নির্বাচন কমিশনের 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি'-এর বৈধতা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত রায় দেওয়া হয়নি, এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া চালানোর জন্য আগে যে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। আর এই বিষয়টা নিয়েই সরব হয়েছেন অভিষেক।

আদালতের পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক লেখেন, 'কী সুবিধাজনক গণতন্ত্র! কারচুপি করা জনাদেশের ভিত্তিতে যদি একটি পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠিত হতে পারে, তাহলে নির্বাচনী বৈধতার আর কী অর্থ থাকে? এই যুক্তি মেনে চললে, বর্তমান রাজ্য সরকারকে অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।'

তিনি আরও লেখেন, 'সুপ্রিম কোর্টের উচিত পশ্চিমবঙ্গে আগের নির্বাচিত সরকারকে পুনর্বহাল করা এবং ছ'মাসের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন করানোর নির্দেশ দেওয়া। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ পড়া প্রত্যেক যোগ্য ভোটারকে পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা নিশ্চিত করতে হবে...'

পিটিআই-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লিতেও চলছে ভোটার তালিকা সংশোধন। সেখানে এই প্রক্রিয়ায় ভোটারদের কাছে পাঠানো নোটিসের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে একটি আবেদন। সেই আবেদনের শুনানিতে এই পর্যবেক্ষণ করে সুপ্রিম কোর্ট।

নির্বাচন কমিশনের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে সিনিয়র আইনজীবী ডিএস নাইডু জানান, আদালত প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ খতিয়ে দেখেছে। এর বৈধতা বহাল রেখেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, 'বিহারের মামলায় এই প্রক্রিয়া থেকে উঠে আসা প্রতিটি প্রশ্নের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হয়নি। বিহারে নির্বাচন কমিশন প্রথমে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিকে আলাদা বিভাগ হিসেবে গ্রহণ করেনি। পশ্চিমবঙ্গে আমরা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে এর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলাম। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে আমরা এখনও চূড়ান্ত বিচার করিনি।'

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলায় আগের নির্বাচিত সরকারকে পুনর্বহাল এবং ছ'মাসের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন করানোর দাবি জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে আদালত এখনও চূড়ান্ত রায় দেয়নি বলেই স্পষ্ট করেছে শীর্ষ আদালত।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement