Advertisement

Sabyasachi-Sujit HC: হাইকোর্টে জামিন পেলেন সব্যসাচী, পুজো জেলেই কাটবে সুজিত বসুর

পুজোর আগে জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। তবে একই দিনে জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর। ফলে পুজোর সময়েও জেলেই থাকতে হবে তাঁকে। 

 জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর। জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Oct 2026,
  • अपडेटेड 7:10 PM IST
  • পুজোর আগে জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত।
  • জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর।
  • তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, এই শর্তেই জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

পুজোর আগে জামিন পেলেন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। তবে একই দিনে জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর। ফলে পুজোর সময়েও জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।  

বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচীকে শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তিকালীন জামিন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ২০১৮ সালের একটি তোলাবাজির মামলায় গত ৮ জুন তাঁকে গ্রেফতার করেছিল বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে, এই শর্তেই জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

অভিযোগ, এক ব্যবসায়ীর কাছে এক কোটি টাকা চেয়েছিলেন সব্যসাচী। তাঁর হয়ে লোক পাঠিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই ব্যবসায়ীর বক্তব্য, তিনি দু’লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়।

গ্রেফতারির ৫৭ দিনের মাথায়, গত ৫ অগাস্ট বারাসত আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। তদন্তের সময় সব্যসাচীর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তাঁর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেত্রী তথা নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্য টিনা ভৌমিক সাহার করিমপুরের বাড়িতেও তল্লাশি হয়। সেখান থেকে তিন কেজি সোনার গয়না উদ্ধার হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে মামলার তদন্তভার নেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

অন্য দিকে, সুজিত বসুর জামিনের আর্জি খারিজ করেছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত ১১ মে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দিতে প্রার্থীদের নাম সুপারিশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী।

সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির দাবি ছিল, তদন্ত শেষ হওয়ার পরেও তাঁকে জেলে আটকে রাখা অনৈতিক। কিন্তু সেই যুক্তিতে জামিন মেলেনি। ইডির দাবি, বেআইনি নিয়োগের তালিকায় প্রায় ১৫০ জনের নাম রয়েছে। সেই নিয়োগের মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Read more!
Advertisement
Advertisement