Advertisement

Samserganj Encounter: বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা? সামশেরগঞ্জ এনকাউন্টার নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

Samserganj Encounter: একদিনে জোড়া এনকাউন্টার। ভোররাতে গাইঘাটা, দুপুরে সামশেরগঞ্জ। বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল খুনে মূল অভিযুক্ত সামাউল হকের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধুলিয়ান বাজার এলাকায় তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে।

 সামশেরগঞ্জে এনকাউন্টার, পালানোর চেষ্টা সামাউলের? সামশেরগঞ্জে এনকাউন্টার, পালানোর চেষ্টা সামাউলের?
Aajtak Bangla
  • মুর্শিদাবাদ,
  • 27 Oct 2026,
  • अपडेटेड 6:28 PM IST
  • সুজিত মণ্ডল খুনে মূল অভিযুক্ত সামাউল হকের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। 
  • মঙ্গলবার দুপুরে ধুলিয়ান বাজার এলাকায় তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে।
  • আহত অবস্থায় সামাউলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

Samserganj Encounter: একদিনে জোড়া এনকাউন্টার। ভোররাতে গাইঘাটা, দুপুরে সামশেরগঞ্জ। বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল খুনে মূল অভিযুক্ত সামাউল হকের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ধুলিয়ান বাজার এলাকায় তদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। পুলিশের দাবি, সেই সময় আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। গুলি চালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। আহত অবস্থায় সামাউলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঠিক কী ঘটেছে?
পুলিশ সূত্রে খবর, দুপুরে দু’জন ইনস্পেক্টর এবং এক ডেপুটি সুপার পদমর্যাদার আধিকারিক সামাউলকে নিয়ে ধুলিয়ান বাজারে গিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের অনুমান, ওই এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে সুজিতকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ এবং ভিডিয়োগ্রাফির জন্যই তাঁকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। দুপুর ২.৩৫ নাগাদ পুলিশের সঙ্গে সামাউলের ধস্তাধস্তি শুরু হয় বলে দাবি। তার পরেই ২.৪৫ নাগাদ গুলির ঘটনা ঘটে।

কী মামলা, কেন তদন্তে সিআইডি?
গত ২৮ অগাস্ট নিখোঁজ হয়ে যান ৩৬ বছরের সুজিত মণ্ডল। তিনি বিজেপি কর্মী ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পরেও পুলিশ যথাসময়ে পদক্ষেপ করেনি। পরে ফরাক্কার বল্লালপুর ঘাট সংলগ্ন ফিডার ক্যানাল থেকে তাঁর দেহাংশ উদ্ধার হয়। দেহের বাকি অংশ এখনও উদ্ধার হয়নি।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, আর্থিক লেনদেন কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে খুন করা হয়ে থাকতে পারে সুজিতকে। দেহ টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় সামাউল-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুজিতের পরিবার। এরপর তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। কয়েক জন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় পদক্ষেপ করা হয়। সামশেরগঞ্জ থানার আইসি, তদন্তকারী অফিসার ও মহুকুমা পুলিশ অফিসারকে বদলি করা হয়। পুলিশ সুপারকেও সতর্ক করা হয়।

ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময়েই এনকাউন্টার
সুজিতের খুনের বিষয়ে তদন্তের স্বার্থে সামাউলকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন CID আধিকারিকরা। সেই সময়ই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে।  

তদন্তকারীদের অনুমান, এই ধুলিয়ান বাজার এলাকাতেই সম্ভবত বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল সামাউল শেখ। সেখানেই সম্ভবত খুনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই ঘটনার পুনর্নিমাণ ও ভিডিওগ্রাফির পরিকল্পনা ছিল CID-র। এই ধুলিয়ান বাজার বেশ জনবহুল এলাকা। 

Advertisement

উল্লেখ্য, এদিন উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটাতেও ধর্ষণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্তের এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে। একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের এনকাউন্টার ঘটে। তার বিরুদ্ধেও পালানোর চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এর আগে বারুইপুরেও ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পুন এনকাউন্টার ঘটেছিল। 

Read more!
Advertisement
Advertisement