Advertisement

Samsherganj Encounter: 'ফাঁসি হতে পারত, পুলিশ কেন মারল?' বলছেন সামশেরগঞ্জে এনকাউন্টারে নিহতের স্ত্রী

সামশেরগঞ্জের সামাউল শেখের বাড়ির লোক ভেবেছিলেন জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যাবে সে। অথচ তার এনকাউন্টার করল পুলিশ। এনকাউন্টারকে পরিকল্পিত খুন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তাদের দাবি, তদন্তের নামে সামাউলকে নিয়ে এসে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে।

সামশেরগঞ্জ এনকাউন্টারে মৃত সামাউল (ডান দিকে) ও তার স্ত্রী (বাঁ দিকে)সামশেরগঞ্জ এনকাউন্টারে মৃত সামাউল (ডান দিকে) ও তার স্ত্রী (বাঁ দিকে)
Aajtak Bangla
  • সামশেরগঞ্জ ,
  • 28 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:17 PM IST
  • তদন্তের নামে সামাউলকে নিয়ে এসে গুলি

সামশেরগঞ্জের সামাউল শেখের বাড়ির লোক ভেবেছিলেন জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যাবে সে। অথচ তার এনকাউন্টার করল পুলিশ। এলাকার BJP কর্মী সুজিত মণ্ডলের খুনের ঘটনায় এই অভিযুক্তকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টে নাগাদ পুরাতন ডাকবাংলোয় এনকাউন্টার করা হয়। কিন্তু এই পুলিশি এনকাউন্টারকে পরিকল্পিত খুন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তাদের দাবি, তদন্তের নামে সামাউলকে নিয়ে এসে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে। 

মৃতের স্ত্রী বলেন,  'খুনের ঘটনায় জড়িত থাকলে আদালতে তার বিচার হত। আদালতের বিচারে তার ফাঁসি বা জেল হতে পারত। পুলিশ কেন এভাবে মারল? এখানে আনার তো কথা ছিল না।' পাশাপাশি এক প্রতিবেশী বলেন, 'সমস্তটাই সাজানো ঘটনা।' সামাউলের এক আত্মীয়ের কথায়, 'ও পালালে পিছন থেকে পায়ে গুলি করতে পারত। অথচ কানের পাশে গুলি করা হয়েছে।'

গত সোমবারই ছোট মেয়েকে নিয়ে জেলে স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সামাউলের স্ত্রী। তাঁর দাবি, স্বামী জানিয়েছিল, খুব শীঘ্রই তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। BJP কর্মীকে খুনের মামলা থেকে হয়তো সে মুক্তি পাবে। তারপর স্বামীর এই ভয়ঙ্কর পরিণতি শোনার পর থেকে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন স্ত্রী। কোনওমতে সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, 'আগের দিনই তো মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিল, ও নির্দোষ। ওর জামিন হয়ে যেতে পারে। বলতে বলতে কেঁদেও ফেলেছিল।' 

বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল সামাউল। গ্রেফতার হন সামাউলের বান্ধবী তাজকিরা বিবি এবং তাজকিরার ছোট জামাই জনি শেখও। তাদের বিরুদ্ধে সামশেরগঞ্জের ডাকবাংলা এলাকায় ভুটু মার্কেট থেকে ৫০–১০০ মিটার দূরে সামাউলের ভাড়া বাড়িতে সুজিত মণ্ডলকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। 

মঙ্গলবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য সামাউলকে নিয়ে যাওয়া হয় তার বাড়িতে। অভিযোগ, সেই সময়েই আচমকা এক পুলিশকর্তার পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায় সামাউল। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। তাতেই নিহত হয় অভিযুক্ত। 

বুধবার সকালে রাজেদাকে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর স্বামীর দেহ জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৭ অগাস্ট ভাড়াবাড়িতে সুজিতকে খুন করা হয়। সেখানে উপস্থি ছিল সামাউল ও তার 'প্রেমিকা' তাজকিরাও। তিনি সুজিতের পরিবারকে ফোন করে মুক্তিপণও চান। এ প্রসঙ্গে সামাউলের স্ত্রী রাজেদা বলেন, 'আমরা তো জানতাম তাজকিরা দিদির মতো হয়। ওরা তো একসঙ্গে থাকত না বলেই জানতাম। আলাদা জায়গায় ভাড়াবাড়ি ছিল ওদের। আমার স্বামী নির্দোষ। ওকে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।'

 

Read more!
Advertisement
Advertisement