Advertisement

RG Kar Sandip Ghosh bail: ২ বছরে মাত্র ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ, RG Kar দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জামিন পেলেন সন্দীপ ঘোষ

আরজি করে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় প্রথমে হাইকোর্ট গিয়েছিলেন সন্দীপ। তবে সেখানে তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি। শুক্রবার তাঁর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এর ফলে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন সন্দীপ ঘোষ। 

সন্দীপ ঘোষের জামিনসন্দীপ ঘোষের জামিন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Oct 2026,
  • अपडेटेड 6:48 AM IST
  • আরজি করে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় প্রথমে হাইকোর্ট গিয়েছিলেন সন্দীপ
  • সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি
  • শুক্রবার তাঁর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে

জামিন পেলেন আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষ। হাসপাতালে দুর্নীতি মামলায় তাঁকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট। ধীরে বিচার ও অনেকটা সময় ধরে জেলবন্দি থাকার কথা বিবেচনা করেই বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ এবং প্রশান্ত বি বরলের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 

আসলে আরজি করে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় প্রথমে হাইকোর্ট গিয়েছিলেন সন্দীপ। তবে সেখানে তাঁর আবেদন খারিজ হয়ে যায়। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি। শুক্রবার তাঁর আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এর ফলে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন সন্দীপ ঘোষ। 

কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হল? 
প্রায় দুই বছর জেলে রয়েছেন সন্দীপ। এই সময় আর্থিক দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এরপর সন্দীপদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে তদন্তপ্রক্রিয়া খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছে বলে মনে করছে আদালত। এক্ষেত্রে ১৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৭ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টাই শীর্ষ আদালতে তুলে ধরেন সন্দীপের আইনজীবী। বিচারপ্রক্রিয়ার এই ধীরগতির কথা বিবেচনা করে তাঁর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করল সুপ্রিম কোর্ট। 

আরজি করে চিকিৎসক-ছাত্রী খুন ও ধর্ষণের ঘটনা সামনে আসার পরই শুরু হয় তদন্ত। নাম জড়িয়ে যায় সন্দীপ ঘোষের। একের পর এক অভিযোগ উঠে আসে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন পরিস্থিতিতে তদন্তে নেমে সন্দীপকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পরে এই মামলাতে ইডিও নেমে পড়ে মাঠে। 

অভিযোগ ছিল, আরজি কর হাসপাতালে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে। এক্ষেত্রে হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা পরিকল্পিত ভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়েছে এই কাজ। তাঁদের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নামে চেক লেখা হয়েছে। তা দিয়ে টাকা তোলা হয়েছে। আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে অন্য সহযোগী সংস্থায় সেই টাকা সরানো হয়েছে। পরে সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলাতেই সন্দীপের যোগ ছিল।

Advertisement


ইডি এই মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে চার্জশিট দেয়। তবে সন্দীপকে ইডি হেফাজতে নেয়নি। বরং চার্জশিট দিয়ে দিয়েছে।  তাই সন্দীপের জেলমুক্তির সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement