Advertisement

SSC Supreme Court teacher job: যোগ্য শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়ল, সুপ্রিম কোর্টের ডেডলাইন ৩১ মে

যাঁরা দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পাননি, তাঁরা নতুন নিয়োগ হওয়া পর্যন্ত চাকরি করবেন। সেই মতো, ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রথমে অর্ডার দেওয়া হয়। কিন্তু আজ ৩১ অগাস্ট হলেও এখনও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। তাই নতুন করে মেয়াদ বাড়াল সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টসুপ্রিম কোর্ট
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 31 Aug 2026,
  • अपडेटेड 1:37 PM IST
  • যাঁরা দুর্নীতি করে চাকরির মাধ্যমে চাকরি পাননি, তাঁর নতুন নিয়োগ হওয়া পর্যন্ত চাকরি করবেন
  • ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রথমে অর্ডার দেওয়া হয়
  • আজ ৩১ অগাস্ট হলেও এখনও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়নি

যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল থাকল ২০২৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত। যার ফলে ২০১৬ সালের SSC-এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ১৭ হাজার যোগ্য শিক্ষকরা এখনও চাকরি করে যেতে পারবেন। এই সময় কাজ করতে তাঁদের কোনও সমস্যা হবে না। তাঁরা যেমন বেতন পেতেন, সেভাবেই পাবেন। স্কুলে গিয়েও নিজের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে ২০২৭ সালের মে মাসের মধ্যেই শেষ করতে হবে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া। 

আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, যাঁরা দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পাননি, তাঁরা নতুন নিয়োগ হওয়া পর্যন্ত চাকরি করে যাবেন। সেই মতো, ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রথমে অর্ডার দেওয়া হয়।   

কিন্তু আজ ৩১ অগাস্ট হলেও এখনও এসএসসি-এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। এমনকী যোগ্য শিক্ষকরাও সুপ্রিম কোর্টে যান। তারা মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই নয়া অর্ডার দেওয়া হল।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এটা জানিয়েছে, এটাই শেষ এক্সটেশন। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না। ৩১ মে ২০২৭ মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে নয়া ওবিসি নিয়ম নিয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থানও প্রশ্নের মুখে পড়ে। যদিও সেই বিষয়টায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি আদালত। তবে তারা এটা জানিয়ে দেয় যে আগামী বছরের মে মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। এর বেশি আর সময় বাড়ানো হবে না।

মাথায় রাখতে হবে, ২০১৬-এর টেট নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির দায়ে চাকরি গিয়েছে অনেকের। তবে এমন পরিস্থিতিতে যোগ্য শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।

   

Read more!
Advertisement
Advertisement