Advertisement

School Teacher Rule: রাজ্যের সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের জন্য কড়া নিয়ম, আজ থেকেই লাগু

শুধু পড়ুয়া নয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও মানতে হবে কড়া নিয়ম। মঙ্গলবার থেকে রাজ্যের স্কুলগুলিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে। আর এই প্রথম দিন থেকে সকাল ১০:৩৫ এর মধ্যে স্কুলে ঢুকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। অর্থাৎ আগেকার নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগেই স্কুলে প্রবেশ করতে হবে। আগে ১০.৪৫-এর মধ্যে স্কুলে ঢোকার নিয়ম ছিল। এবার থেকে ১০.৫০-এর পর স্কুলে প্রবেশ করলে সেক্ষেত্রে লেট মার্ক করা হবে। 

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Jan 2024,
  • अपडेटेड 3:51 PM IST
  • শুধু পড়ুয়া নয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও মানতে হবে কড়া সময়ানুবর্তিতা।
  • মঙ্গলবার থেকে রাজ্যের স্কুলগুলিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে। আর এই প্রথম দিন থেকে সকাল ১০:৩৫ এর মধ্যে স্কুলে ঢুকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।
  • অর্থাৎ আগেকার নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগেই স্কুলে প্রবেশ করতে হবে। আগে ১০.৪৫-এর মধ্যে স্কুলে ঢোকার নিয়ম ছিল। এবার থেকে ১০.৫০-এর পর স্কুলে প্রবেশ করলে সেক্ষেত্রে লেট মার্ক করা হবে। 

শুধু পড়ুয়া নয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও মানতে হবে কড়া সময়ানুবর্তিতা। মঙ্গলবার থেকে রাজ্যের স্কুলগুলিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে। আর এই প্রথম দিন থেকে সকাল ১০:৩৫ এর মধ্যে স্কুলে ঢুকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। অর্থাৎ আগেকার নির্দিষ্ট সময়ের ১০ মিনিট আগেই স্কুলে প্রবেশ করতে হবে। আগে ১০.৪৫-এর মধ্যে স্কুলে ঢোকার নিয়ম ছিল। এবার থেকে ১০.৫০-এর পর স্কুলে প্রবেশ করলে সেক্ষেত্রে লেট মার্ক করা হবে। 

রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার নিয়ন্ত্রিত স্কুলেই এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। একেবারে অফিস, প্রাইভেট ফার্মের ধাঁচে সময়ানুবর্তিতার কড়াকড়ি শুরু করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

শুধু তাই নয়। এবার থেকে ১১:১৫ এর পর স্কুলে ঢুকলে অনুপস্থিত বলে গণ্য় করা হবে। স্কুল থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নিয়ম। বিকেল ৪.৩০ এর আগে কোনও শিক্ষক-শিক্ষিকা বা অশিক্ষক কর্মী স্কুল থেকে বের হতে পারবেন না।  

কিন্তু হঠাত এই সময় এগিয়ে আনার পিছনে কারণ কী? পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, 'এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক যে শিক্ষকরা সময়ে আসছেন না। ডিআই-রা আছেন প্রতিটা জেলায়। নিশ্চয়ই তাঁরা দেখবেন। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা নিশ্চয়ই জানতে চাইব।' এর পাশাপাশি তিনি বলেন, 'আমরা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের লেট মার্কের সময়টা বাড়িয়েছি। যাতে শিক্ষক-শিক্ষিকারা এসে অন্তত দ্বিতীয় ক্লাসটা নিতে পারেন।'

Read more!
Advertisement
Advertisement