Advertisement

রাজ্যে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা 'বন্দে মাতরম' গাইবে? মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন যা জানাল...

বিষয়টিতে 'বাংলা ডট আজতক ডট ইন'কে ওয়েস্ট বেঙ্গল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাশোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সভাপতি ফিরোজউদ্দিন সাকি বললেন, 'যে দেশে বাস করি, সেখানকার কানুন মেনে চলাই আমাদের কাছে ধর্মীয় নির্দেশ। সরকারের নির্দেশে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।'

সংগৃহীত ছবিসংগৃহীত ছবি
সুকমল শীল
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 1:24 PM IST
  • রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা নিয়ে একটি নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।
  • প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর থেকে জারি হওয়া ওই নির্দেশ অনুযায়ী এবার থেকে সমস্ত মাদ্রাসায় প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগের প্রার্থনা বা অ্যাসেম্বলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে।

রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা নিয়ে একটি নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর থেকে জারি হওয়া ওই নির্দেশ অনুযায়ী এবার থেকে সমস্ত মাদ্রাসায় প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগের প্রার্থনা বা অ্যাসেম্বলিতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে।

বিষয়টিতে 'বাংলা ডট আজতক ডট ইন'কে ওয়েস্ট বেঙ্গল মাদ্রাসা স্টাফ অ্যাশোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সভাপতি ফিরোজউদ্দিন সাকি বললেন, 'যে দেশে বাস করি, সেখানকার কানুন মেনে চলাই আমাদের কাছে ধর্মীয় নির্দেশ। সরকারের নির্দেশে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। যারা প্রগতিশীল মুসলিম, শিক্ষিত মুসলিম তাদের কোনও সমস্যা নেই। আমাদের সংগঠনের আওতায় ১১০০ মাদ্রাসা রয়েছে। গরমের ছুটির পর ১ জুন মাদ্রাসাগুলি খুলবে। প্রথমদিন থেকেই শুরু হবে বন্দেমাতরম সঙ্গীত। সারে জাঁহা সে আচ্ছা গাওয়া হত, এবার পাশাপাশি বন্দে মাতরম গানও গাওয়া হবে।'

সূত্রের উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, ১৯ মে ২০২৬ তারিখে মাদ্রাসা শিক্ষার ডিরেক্টরেট এই নির্দেশিকা জারি করে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। নির্দেশিকায় আগের প্রচলিত প্রথা বা নিয়ম বাতিল করে নতুন এই ব্যবস্থা চালুর কথাও উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নির্দেশিকার আওতায় সরকারি মডেল মাদ্রাসা (ইংরেজি মাধ্যম), সরকার অনুমোদিত ও সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা, এমএসকে ও এসএসকে এবং স্বীকৃত বেসরকারি মাদ্রাসাগুলিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
তবে এই পুরো বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা বিবেচনা না করেই এই ধরনের নির্দেশ জারি করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement