Advertisement

Surendranath Law College: পড়ুয়া আন্দোলনের চাপে ইস্তফাই দিতে হল ভাইস প্রিন্সিপালকে, সুরেন্দ্র ল' কলেজে কী হয়েছে?

Surendranath Law College: রাতভর ঘেরাও। কলেজের ভিতরেই আটকে ছিলেন ভাইস প্রিন্সিপাল। বাইরে তখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পড়ুয়াদের একাংশ। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে ইস্তফা দিলেন সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদ তারান্নুম। তাঁর পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কলেজ চত্বরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন পড়ুয়াদের একাংশ।

 ইস্তফা দিলেন সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদ তারান্নুম। ইস্তফা দিলেন সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদ তারান্নুম।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 11 Sep 2026,
  • अपडेटेड 3:15 PM IST
  • কলেজের ভিতরেই আটকে ছিলেন ভাইস প্রিন্সিপাল।
  • শুক্রবার দুপুরে ইস্তফা দিলেন সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদ তারান্নুম।
  • উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন পড়ুয়াদের একাংশ।

Surendranath Law College: রাতভর ঘেরাও। কলেজের ভিতরেই আটকে ছিলেন ভাইস প্রিন্সিপাল। বাইরে তখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পড়ুয়াদের একাংশ। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে ইস্তফা দিলেন সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল মহম্মদ তারান্নুম। তাঁর পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কলেজ চত্বরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন পড়ুয়াদের একাংশ। মিষ্টি বিতরণ করা হয়। ধূপ জ্বালিয়ে প্রতীকী ‘শুদ্ধিকরণ’-ও করেন কয়েক জন ছাত্র।

ঘটনার সূত্রপাত উপস্থিতির হার নিয়ে। কলেজ কর্তৃপক্ষের একটি বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জটিলতা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ৭৫ শতাংশ উপস্থিতি না থাকলে পরীক্ষায় বসতে পারবেন না পড়ুয়ারা। সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই আপত্তি তোলেন বহু ছাত্রছাত্রী। তাঁদের দাবি ছিল, উপস্থিতির হার কম হলেও পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন বিধায়ক তথা আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। তাঁর উদ্যোগে কর্তৃপক্ষ এবং পড়ুয়াদের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে ঠিক হয়, ৭৫ শতাংশের কম উপস্থিতি থাকা পড়ুয়ারা সেলফ ডিক্লারেশন দিয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন।

কিন্তু তার পরেও জটিলতা পুরোপুরি কাটেনি। ফর্ম পূরণের সময় সামনে আসে আরও একটি সমস্যা। জানা যায়, অন্তত ৪০ শতাংশ উপস্থিতি থাকা প্রয়োজন। এর ফলে বহু পড়ুয়া পরীক্ষায় বসার সুযোগ হারানোর আশঙ্কায় পড়েন।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯০০ পড়ুয়ার মধ্যে প্রায় ৬০০ জনের পরীক্ষায় বসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। একটি সেমেস্টারে ১৮০ জন পড়ুয়ার মধ্যে ১৪৪ জনের উপস্থিতি ৪০ শতাংশের কম ছিল বলেও জানা যায়। ফলে উদ্বেগ আরও বাড়ে।

সমস্যা মেটাতে বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ, পড়ুয়া এবং কৌস্তুভ বাগচির মধ্যে বৈঠক হয়। আলোচনার পরে সেলফ ডিক্লারেশনের মাধ্যমে পড়ুয়াদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাতেও অবশ্য বিক্ষোভ থামেনি।

উপস্থিতির হার নিয়ে বৃহস্পতিবারই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজ। পরীক্ষায় বসার দাবিতে ভাইস প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে জড়ো হন পড়ুয়াদের একাংশ। পরে তাঁকে রাতভর ঘেরাও করে রাখা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, ঘেরাও চলাকালীন তাঁর ঘরের বাইরে আলো এবং জলের ব্যবস্থাও ছিল না। রাতের বেশির ভাগ সময় অন্ধকারেই ঘরে থাকতে হয় তাঁকে।

Advertisement

বাইরে তখন চলতে থাকে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল জানিয়েছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করবেন তিনি। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন মহম্মদ তারান্নুম। তাঁর বক্তব্য ছিল, আলোচনার মাধ্যমেই জটিলতার সমাধান সম্ভব।

এর পরেই শুক্রবার দুপুরে সামনে আসে ইস্তফার খবর। ভাইস প্রিন্সিপালের পদত্যাগের কথা ছড়িয়ে পড়তেই পড়ুয়াদের একাংশের মধ্যে দেখা যায় উৎসবের আবহ। মিষ্টি বিলি করেন তাঁরা। কলেজ চত্বরে ধূপ জ্বালিয়ে প্রতীকীভাবে ‘শুদ্ধিকরণ’ও করা হয়।  

Read more!
Advertisement
Advertisement