Advertisement

রাজ্যের সব মাদ্রাসায় সমীক্ষার নির্দেশ, ৫ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট চাইল নবান্ন

রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব চিত্র ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে বড়সড় সমীক্ষার নির্দেশ দিল নবান্ন। ব্লক ও পুরসভা স্তরে থাকা সব মাদ্রাসা, সরকারি, বেসরকারি, স্বীকৃত, অস্বীকৃত বা অনুদানপ্রাপ্ত, সবকটির তথ্য সংগ্রহ করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণ জেলাভিত্তিক সমন্বিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

সংগৃহীত ছবিসংগৃহীত ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:20 AM IST
  • রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব চিত্র ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে বড়সড় সমীক্ষার নির্দেশ দিল নবান্ন।
  • ব্লক ও পুরসভা স্তরে থাকা সব মাদ্রাসা, সরকারি, বেসরকারি, স্বীকৃত, অস্বীকৃত বা অনুদানপ্রাপ্ত, সবকটির তথ্য সংগ্রহ করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তব চিত্র ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে বড়সড় সমীক্ষার নির্দেশ দিল নবান্ন। ব্লক ও পুরসভা স্তরে থাকা সব মাদ্রাসা, সরকারি, বেসরকারি, স্বীকৃত, অস্বীকৃত বা অনুদানপ্রাপ্ত, সবকটির তথ্য সংগ্রহ করতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে সম্পূর্ণ জেলাভিত্তিক সমন্বিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

গত ৫ জুন, ২০২৬ তারিখে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর থেকে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানো হয় সব জেলায়। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রতিটি ব্লক ও পুরসভা এলাকায় সমীক্ষা চালিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

কোন কোন মাদ্রাসা থাকবে সমীক্ষার আওতায়?
নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার বাইরে থাকবে না। এর মধ্যে রয়েছে
সরকারি অনুমোদিত ও স্বীকৃত মাদ্রাসা
সরকারি রেজিস্টার্ড প্রতিষ্ঠান
সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও অনুদানবিহীন মাদ্রাসা
অস্বীকৃত বা সম্পূর্ণ অনির্ধারিত প্রতিষ্ঠান
বিভিন্ন সমাজ বা কমিউনিটি পরিচালিত মাদ্রাসা
ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা

কেন এই সমীক্ষা?
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষার একটি নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যভান্ডার তৈরি করাই মূল উদ্দেশ্য। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ শিক্ষানীতি নির্ধারণ সহজ হবে বলে মনে করছে সরকার।

সমীক্ষায় মূলত চারটি বিষয়ের ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হবে
প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা ও আইনি স্বীকৃতি
পরিকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার মান
শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের ধরণ
ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা ও সামাজিক বিন্যাস

এই তথ্যভান্ডার তৈরি হলে শিক্ষা পরিকল্পনা, শিশু কল্যাণমূলক পদক্ষেপ এবং প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর হবে বলে নবান্নের দাবি।

উদ্বেগের কিছু নেই, জানাল নবান্ন
নবান্ন স্পষ্ট জানিয়েছে, এই সমীক্ষা শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহের জন্য। এর ভিত্তিতে কোনও মাদ্রাসা বন্ধ করা বা পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। শিক্ষাবর্ষের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও কোনও বাধা আসবে না।

৫ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা বাধ্যতামূলক
জেলাশাসকদের দ্রুত কাজ শুরু করে আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement