Advertisement

Suvendu Adhikari: 'বাড়ির আবর্জনা পরিষ্কারের মতো...' রাখিতেও শুভেন্দুর নিশানায় যাদবপুর, কড়া বার্তাও

যাদবপুরের দেওয়ালে 'রেড স্যালুট কিষেনজি' লেখা স্লোগান নিয়েও আপত্তি তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'কী শেখাচ্ছেন নতুন প্রজন্মকে? এই কিষেনিজে সংবিধান পুড়িয়ে দিতে, ভোট না দিতে, ভারতকে ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন। তার কথা যাদবপুরে দেওয়ালে লিখবেন?'

শুভেন্দু অধিকারীশুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 28 Aug 2026,
  • अपडेटेड 12:31 PM IST
  • যাদবপুরের দেওয়ালে 'রেড স্যালুট কিষেনজি' লেখা স্লোগান নিয়েও আপত্তি তোলেন শুভেন্দু
  • 'কী শেখাচ্ছেন নতুন প্রজন্মকে?
  • এই কিষেনিজে সংবিধান পুড়িয়ে দিতে, ভোট না দিতে, ভারতকে ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন

'আমাদের পাশে যাঁরা শত্রু রয়েছে, তাদের তো আমরা নিজেদের ক্ষমতা বুঝিয়েছি। ভবিষ্যতেও বোঝাব। কিন্তু ভিতরে থেকে যারা দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ, বন্দেমাতরম, জন-গণ-মন-অধিনায়ককে আক্রমণ করে, তাদেরকেও আমাদের আস্তে আস্তে বাড়ির আবর্জনা পরিষ্কার করার মতো শপথ নিতে হবে।', আজ দেশের অন্দরে উপস্থিত 'দেশ বিরোধী শক্তির' বিরুদ্ধে এভাবেই সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের 'আজাদি স্লোগানের' সমর্থনকারীদেরও সতর্ক করে দেন। 

যাদবপুর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'দেশের বাইরে তো শত্রুরা রয়েছেই। আবার ভিতরেও রয়েছে। যখন দেখি কলকাতার রাস্তায় আজাদি। কিসের আজাদি। আমাদের স্বাধনীতা সংগ্রামীদের ত্যাগ, সুভাষচন্দ্র বসুর অবদান। তার মাধ্যমেই ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল।'

এখানেই শেষ না করে যাদবপুরের অন্দরে 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি' স্লোগানের নিন্দা করেন তিনি। 

কিষেনজি নিয়েও মুখ খুললেন
যাদবপুরের দেওয়ালে 'রেড স্যালুট কিষেনজি' লেখা স্লোগান নিয়েও আপত্তি তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'কী শেখাচ্ছেন নতুন প্রজন্মকে? এই কিষেনিজে সংবিধান পুড়িয়ে দিতে, ভোট না দিতে, ভারতকে ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন। তার কথা যাদবপুরে দেওয়ালে লিখবেন?'
 
বন্দে মাতরম নিয়ে আপত্তি কেন? 
জাতীয় গান বন্দে মাতরম-এর সব লাইন গাওয়া নিয়ে দেশের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ দেখান হয়েছে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারের এই নয়া নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলার একাংশও। আর সেই বিষয়টা নিয়েও আজ মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জিজ্ঞাসা, 'পুরো বন্দে মাতরম নিয়ে আপত্তি কেন? এটা তো সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখে দিয়ে গিয়েছেন।' 

এরপরই তিনি হুঙ্কারের সুরে দাবি করেন, বাইরের শত্রুর সঙ্গে লড়াই চলবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তো ঘরে ঢুকে মারা হয়েছে। পহেলগাঁওয়ের ঘটনার পর ভারতীয় এয়ারফোর্স পাকিস্তানের ১০০ কিমি ভিতরে ঢুকে মেরে এসেছে। এই সময় ভারত বিদেশি অস্ত্রের উপর নির্ভর করেনি। দেশিয় অস্ত্রের মাধ্যমে পাকিস্তানে অ্যাটাক করা হয়েছে। আর আগামিদিনে দেশের অন্দরের শত্রুদেরও পরিষ্কার করা হবে। 

বিকশিত বাংলা
২০৪৭ সালে স্বাধীনতার ১০০ বছর। এই সময়ের মধ্যে দেশ বিকশিত ভারত হয়ে উঠবে। আর বিকশিত ভারত সম্পূর্ণ হবে না বিকশিত বাংলাকে ছাড়া, এমনটাই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই মুখ্যমন্ত্রী বাংলাকে দেশের মধ্যে উচ্চ আসনে নিয়ে যাওয়ার শপথ নিতে চাইছেন। সেই মতো সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।  

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement