Advertisement

Suvendu Adhikari: 'বক্সীদাকে অবসরে পাঠাল,' TMC-র 'আদি' নেতাদের প্রসঙ্গ কেন তুললেন শুভেন্দু?

রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ইস্যুতেই তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভায় দু’জনকে ‘কৃতজ্ঞতাস্বরূপ’ প্রার্থী করেছে এবং সেই কারণেই প্রবীণ নেতা সুব্রত বক্সীকে প্রার্থী করা হয়নি।

শুভেন্দু অধিকারী ও সুব্রত বক্সী।-ফাইল ছবিশুভেন্দু অধিকারী ও সুব্রত বক্সী।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:50 PM IST
  • রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।
  • এই ইস্যুতেই তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ইস্যুতেই তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভায় দু’জনকে ‘কৃতজ্ঞতাস্বরূপ’ প্রার্থী করেছে এবং সেই কারণেই প্রবীণ নেতা সুব্রত বক্সীকে প্রার্থী করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দেন তৃণমূলের প্রার্থীরা, মানেকা গুরুস্বামী, রাজীব কুমার, কোয়েল মল্লিক এবং বাবুল সুপ্রিয়। একইদিনে বিজেপির তরফে মনোনয়ন জমা দেন দলের বর্ষীয়ান নেতা রাহুল সিনহা। এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'সব রাজনৈতিক নেতাকে কার্যত বাণপ্রস্থে পাঠিয়ে দু’জনকে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ প্রার্থী করা হয়েছে।' তাঁর বিস্ফোরক দাবি, সারদা মামলায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস নষ্ট করার অভিযোগে রাজীব কুমারকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এবং আরজি কর মামলায় বিনীত গোয়েলকে বাঁচানোর জন্য মেনকা গুরুস্বামীকে ‘গিফ্ট’ দেওয়া হয়েছে।

এই প্রসঙ্গেই শুভেন্দুর কথায় উঠে আসে সুব্রত বক্সীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, 'সুব্রত বক্সী যুব কংগ্রেসের সময় থেকে রাজনীতিতে আছেন। এখনও হাঁটতে-চলতে পারেন, জেলা সংগঠনের দায়িত্বও দেখেন।' কথার মাঝেই তিনি তাঁকে ‘বক্সীদা’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, 'এখন জিজ্ঞাসা করলে বক্সীদা হয়তো বলবেন, তিনি নিজেই প্রার্থী হতে চাননি। কিন্তু আমাদের কষ্ট হচ্ছে, যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন, সেই নেতাকেই আজ অবসরে পাঠানো হচ্ছে।'

শুভেন্দুর অভিযোগ, বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারকে জায়গা করে দেওয়ার জন্যই সুব্রত বক্সীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এই ঘটনা বাংলার রাজনীতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

উল্লেখ্য, রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছিল যে সুব্রত বক্সী আবারও তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন। যদিও প্রথমে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি প্রার্থী নাও হতে পারেন বলে শোনা গিয়েছিল। পরে সেই জল্পনা কিছুটা স্তিমিত হলেও শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে হঠাৎ করেই চারজন নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

Advertisement

সুব্রত বক্সী ২০২০ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন। তাঁর মেয়াদ শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের ৩ এপ্রিল। এর আগে তিনি ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন। পাশাপাশি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন।

অন্যদিকে, রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী বা কোয়েল মল্লিক, এই নামগুলি মূলত ভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্র থেকে রাজনীতিতে নতুনভাবে পা রাখতে চলেছেন, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement