Advertisement

তৃণমূলে নাটক অব্যাহত, অপসারিত সায়নী-সুদীপ; উত্তর কলকাতার রাশ কুণালের হাতে

দিল্লির এই রুদ্ধদ্বার সাক্ষাতের জল্পনার মাঝেই তৃণমূলের যুব সংগঠনেও এক নাটকীয় রদবদল করা হয়েছে। দলের রাজ্য যুব সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে। সায়নী ঘোষকে যুব সংগঠনের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার পর সেই জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সায়নী ঘোষ, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়সায়নী ঘোষ, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 13 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:45 PM IST

লোকসভা নির্বাচনের আবহেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এক মস্ত বড় রদবদল ঘটে গেল যা নিয়ে এখন রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দিল্লির বুকে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার পরেই অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে যে বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তারকা সাংসদ শতাব্দী রায়কে এদিন দিল্লির বুকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

এই খবর চাউর হতেই চরম অস্বস্তিতে পড়ে ঘাসফুল শিবির এবং তার কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের সাংগঠনিক পদে বিরাট কোপ বসানো হয়। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকে একঝাটকায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর জায়গায় এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেনাপতি তথা প্রবীণ নেতা কুণাল ঘোষের হাতে।

দিল্লির এই রুদ্ধদ্বার সাক্ষাতের জল্পনার মাঝেই তৃণমূলের যুব সংগঠনেও এক নাটকীয় রদবদল করা হয়েছে। দলের রাজ্য যুব সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সায়নী ঘোষকে। সায়নী ঘোষকে যুব সংগঠনের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব থেকে অপসারণ করার পর সেই জায়গায় স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এখন থেকে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়ই রাজ্য তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নতুন সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে দিল্লির বুকে বিজেপি নেতার তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শতাব্দী রায়ের এই ঝটিকা সফরকে একেবারেই ভালো চোখে দেখেনি কালীঘাট এবং সেই কারণেই তড়িঘড়ি ক্ষোভ প্রকাশ করে এই সাংগঠনিক রদবদল করা হয়েছে। একযোগে দলের উত্তর কলকাতার সভাপতি এবং যুব সভাপতির মতো হেভিওয়েট পদ পরিবর্তনের ফলে স্বাভাবিকভাবেই দলের অন্দরে এক বিরাট কম্পন সৃষ্টি হয়েছে যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

শনিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন সবংয়ের প্রাক্তন বিধায়ক মানস ভূঁইয়া। চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। দল ছাড়ার পর মানসবাবু বলেন, "আমি আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করি। বর্তমানে যা হচ্ছে, তাতে এই দলে আর থাকা যাবে না। আমার নিজস্ব একটা সম্মান আছে। আমি রাজনীতিতে এসেছিলাম মানুষের সেবা করতে। কিন্তু দলটার ভেতর থেকে এখন যা সব বেরিয়ে আসছে, তাতে আমি আর প্রাথমিক সদস্য পদে থাকতে পারছি না।"

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement