Advertisement

বর্ষা ঢুকতেই একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, আপনার জেলা ভিজবে?

উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢুকেছে। দক্ষিণবঙ্গে প্রাক বর্ষার বৃষ্টিও শুরু হবে। তবে এখনই গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া কাটবে না কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে। এমনই জানিয়েছে আলিপুর আওহাওয়া দফতর।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:14 PM IST
  • দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে উত্তরবঙ্গে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে।
  • ইতিমধ্যেই কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার সম্পূর্ণ অংশে এবং জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছে।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে উত্তরবঙ্গে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। ইতিমধ্যেই কালিম্পং, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার সম্পূর্ণ অংশে এবং জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ুর প্রবেশ ঘটেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমি বায়ুর অগ্রগতির জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে মৌসুমি অক্ষরেখা পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এর সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে লিশ রিভার চা বাগানে ১৩ সেন্টিমিটার, ফাগু চা বাগানে ১২ সেন্টিমিটার এবং ওয়াশাবাড়ি ও ঘিশ এলাকায় ১১ সেন্টিমিটার। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হলেও মুর্শিদাবাদের সালার ও বীরভূমের তান্তলোই এলাকায় ২ সেন্টিমিটার করে বৃষ্টি হয়েছে।

আগামী কয়েক দিনের পূর্বাভাস
১০ ও ১১ জুন উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

১২ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে। একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার পাশাপাশি বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকা ও ডুয়ার্স অঞ্চলে টানা বৃষ্টির কারণে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি, জল জমা এবং কিছু এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব বাড়তে শুরু করেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কার্যকলাপ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement