Advertisement

এবার দ্রুত মিলবে CAA-এর মাধ্যমে নাগরিকত্ব, পশ্চিমবঙ্গ সহ ৮ রাজ্যে নয়া নির্দেশিকা

এতদিন নাগরিকত্ব প্রসেস করার ক্ষমতা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত এমপাওয়ার্ড কমিটির হাতে। এই কমিটিতে থাকতেন সেনসাস, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) এবং ডাক বিভাগের প্রতিনিধিরাও। তবে এবার সেই নিয়মে বদল আনল সরকার। সেই মর্মে একটি নির্দেশ জারি করেছে সরকার। গুজরাত, পঞ্জাব, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, অসমের আদিবাসী এলাকা বাদে, ত্রিপুরার আদিবাসী এলাকা বাদে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের জেলা শাসকদের সিএএ-এর অধীনে জমা পড়া আবেদনগুলি প্রসেস করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষা নয়নাগরিকত্বের জন্য অপেক্ষা নয়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Aug 2026,
  • अपडेटेड 7:30 AM IST
  • এতদিন নাগরিকত্ব প্রসেস করার ক্ষমতা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত এমপাওয়ার্ড কমিটির হাতে
  • এই কমিটিতে থাকতেন সেনসাস, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) এবং ডাক বিভাগের প্রতিনিধিরাও
  • তবে এবার সেই নিয়মে বদল আনল সরকার। সেই মর্মে একটি নির্দেশ জারি করেছে সরকার

এবার থেকে আর ভারতের নাগরিকত্বের জন্য় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করে বসে থাকতে হবে না। বরং দ্রুত গতিতে হবে সিএএ-এর কাজ। কারণ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জেলাশাসকদের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ), ২০১৯-এর আওতায় জমে থাকা নাগরিকত্বের আবেদনগুলি প্রসেস করার অনুমতি দিয়েছে। যার ফলে নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজটি খুব দ্রুত গতিতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

আসলে এতদিন নাগরিকত্ব প্রসেস করার ক্ষমতা ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত এমপাওয়ার্ড কমিটির হাতে। এই কমিটিতে থাকতেন সেনসাস, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) এবং ডাক বিভাগের প্রতিনিধিরাও। তবে এবার সেই নিয়মে বদল আনল সরকার। সেই মর্মে একটি নির্দেশ জারি করেছে সরকার।

১৯ অগাস্ট জারি করা সেই নির্দেশ অনুযায়ী, গুজরাত, পঞ্জাব, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, অসমের আদিবাসী এলাকা বাদে, ত্রিপুরার আদিবাসী এলাকা বাদে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের জেলা শাসকদের সিএএ-এর অধীনে জমা পড়া আবেদনগুলি প্রসেস করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

যার ফলে আগের ব্যবস্থার কার্যত অবসান ঘটল। এই সব রাজ্যগুলিতে জেলাশাসকরাই এবার আগের এমপাওয়ার্ড কমিটি এবং ডেজিগনেটেড অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

কোন আইনে ক্ষমতা? 
এই বিষয়টাও স্পষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারা জানিয়েছে সিটিজেনশিপ (থার্ড অ্যামেন্টমেন্ট) রুসল, ২০২৬-এর অধীনে জেলা শাসকদের নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি অনুযায়ী নাগরিকত্বের জন্য আবেদন গ্রহণ, যাচাই এবং নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে হবে গোটা প্রক্রিয়া? 
আগে নাগরিকত্ব প্রসেস করার পদ্ধতিটি অনেক দীর্ঘ ছিল। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারী যে নথি জমা দেবেন, সেটা যাচাই করবেন জেলাশাসক। প্রয়োজনে আবেদনকারীর বিষয়ে তদন্তও করতে পারবেন। তিনি নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করাবেনও জেলাশাসক নিজেই। 

জেলাশাসক যদি দেখেন আবেদনকারী সমস্ত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করছেন। আবেদনকারীকে যদি উপযুক্ত ব্যক্তি বলে মনে মনে হয়, তাহলে নাগরিকত্ব দিতে পারবেন।

Advertisement

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টা সম্পর্কে বিশদে বলা হয়েছে। সেখানে জানান হয়েছে, জেলাশাসক আবেদনকারীর জমা দেওয়া নথি যাচাই করবেন। তারপর করবেন তদন্ত। পাশাপাশি আবেদনকারীকে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করাতে হবে। তারপর ৬বি ধারা অনুযায়ী আবেদনকারীর নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত করবেন। এখন দেখার এই বদলের ফলে কত দ্রুত নাগরিকত্ব পৌঁছে যায়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement