Advertisement

West Bengal Census: জনগণনায় গাফিলতি করলে জেল-জরিমানা, সেনসাস অফিসার নিয়োগে কড়া বার্তা রাজ্যের

এবার পশ্চিমবঙ্গেও জনগণনার প্রস্তুতি তুঙ্গে উঠল। সেই মতো রাজ্য সরকার বিভিন্ন স্তরে জনগণনা আধিকারিক নিয়োগ শুরু করেছে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন এক সরকারি আধিকারিক।

রাজ্যে জনগণনারাজ্যে জনগণনা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 May 2026,
  • अपडेटेड 7:30 AM IST
  • এবার পশ্চিমবঙ্গেও জনগণনার প্রস্তুতি তুঙ্গে উঠল
  • সেই মতো রাজ্য সরকার বিভিন্ন স্তরে জনগণনা আধিকারিক নিয়োগ শুরু করেছে
  • মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন এক সরকারি আধিকারিক

এবার পশ্চিমবঙ্গেও জনগণনার প্রস্তুতি তুঙ্গে উঠল। সেই মতো রাজ্য সরকার বিভিন্ন স্তরে জনগণনা আধিকারিক নিয়োগ শুরু করেছে। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন এক সরকারি আধিকারিক।

স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ডিভিশনাল কমিশনারদের ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার, জেলা শাসকদের (ডিএম) প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং অতিরিক্ত জেলা শাসকদের ডিস্ট্রিক্ট সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

এছাড়াও ডিস্ট্রিক্ট প্ল্যানিং অফিসার, ডিস্ট্রিক্ট স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসার, জেলা ইনফরমেটিক্স অফিসার এবং জেলা শিক্ষা আধিকারিকদের অতিরিক্ত জেলা জনগণনা আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহকুমা শাসক (এসডিও) ও মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেটরা সাব-ডিভিশনাল সেনসাস অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করবেন। অন্যদিকে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারদের (বিডিও) চার্জ সেনসাস অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

এ দিকে আবার শহরাঞ্চলের জনগণনার জন্য পুরসভা স্তরের আধিকারিকদের নিয়োগ করা চলছে। মিউনিসিপ্যাল কমিশনারদের প্রিন্সিপাল সেনসাস অফিসার এবং পুরসভা-স্ট্যাটিউটরি টাউনের এক্সিকিউটিভ অফিসার, প্রশাসক ও সচিবদের টাউন সেনসাস অফিসার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সব আধিকারিকেরা নিজেদের নির্ধারিত এলাকায় 'ভারতের জনগণনা ২০২৭ পরিচালনা, সহায়তা বা তদারকির' দায়িত্ব পালন করবেন। এটাই তাঁদের মূল দায়িত্ব।

এছাড়াও এই সব অফিসারদের নিজ নিজ এলাকায় আরও জনগণনা আধিকারিক নিয়োগের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। এমনটাই উল্লেখ রয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

যদিও এই নির্দেশিকায় রয়েছে সতর্ক বার্তাও। সেখানে বলা হয়েছে, কোনও জনগণনা আধিকারিক বা জনগণনা সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি যদি দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করেন বা অন্যের কাজে বাধা দেন, তাহলে জনগণনা আইন, ১৯৪৮-এর ১১ নম্বর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলেই বিপদ। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

এক সিনিয়র রাজ্য সরকারি আধিকারিক জানান, ২০২৭ সালের দেশব্যাপী জনগণনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ করা হচ্ছে আধিকারিকদের।

Advertisement

পাশাপাশি এটাও জানা যায় যে জনগণনা আইন, ১৯৪৮-এর বিধান অনুযায়ী এই নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ মে কলকাতা গেজেট এক্সট্রাঅর্ডিনারিতে তা প্রকাশিত হয়েছে।

মাথায় রাখতে হবে বাংলার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওই দিন থেকেই রাজ্যে জনগণনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। আর সেই কথামতো এবার আধিকারিক নিয়োগ করে ফেলল রাজ্য সরকার।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement