
দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে চরম বিপদের সম্মুখীন হতে হল গ্রামবাসীদের। দুষ্কতীদের গুলির শিকার হলেন তিন তৃণমূল কর্মী। সোমবার রাত আটটা ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার দাহারানি গ্রামে। তড়িঘড়ি গুলিবদ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহতদের কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।
সূত্রের খবর, এদিন রাত আটটা নাগাদ গ্রামে দুষ্কৃতীরা আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর রটে। যার খোঁজ নিতে এলাকায় যান তৃণমূল কর্মী কুতুবুদ্দিন শেখ, মোসলেম আলি মোল্লা, আলমগীর গাজি। এলাকার একটি বাড়িতে কিছু দুষ্কৃতী আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর পান তারা। দ্রুত গ্রামবাসীদের নিয়ে এলাকায় যান ওই তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু সেখানে কাউকে পান নি তারা। স্থানীয়রা জানান, কাছের একটি মাছের ভেরির আলা ঘরে আশ্রয় নিয়েছে ওই দুষ্কৃতীরা। সকলে মিলে সেদিকে এগোতেই আচমকা তাঁদেরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্তরা। এতেই গুলিবিদ্ধ হন ওই তিন তৃণমূল কর্মী। কী কারণে ওই দুষ্কৃতীরা এলাকায় আস্তানা গেড়েছিল, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে জীবনতলা থানার পুলিশ। পাশাপাশি চলছে এদের পরিচয় জানার চেষ্টা।
স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছে,দলের কোনও নেতাকে মারার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে। বিজেপির হাত থাকার বিষয়ে সন্দেহ করছে দলের একাংশ। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজ্য় রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে,প্রতিদিন তাদের কর্মীদের খুন করার অভিযোগ করছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তিন তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।
সম্প্রতি রাজ্য়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সরকারকে এক হাত নিয়েছেন রাজ্য়পাল জগদীপ ধনখড়। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে রাজ্য়ের আমলাদের বার্তা দিয়েছেন তিনি। সব আমলাদের উদ্দেশ্য় করে রাজ্য়পাল বলেছেন,আমলারা কখনোই রাজনৈতিক দলের দাস নন। তারা সিস্টেমেরকাছে দায়বদ্ধ। তাই তারা যেন কখনোই কোনও রাজনৈতিক দলের কথা না শুনে চলেন।