Advertisement

প্রতিদিনই উইকেট পড়ছে তৃণমূলে! মমতার দল ভাঙার মাস্টারমাইন্ড কে?

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই ভাঙনের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, অসন্তুষ্ট সাংসদদের একত্রিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। অন্যদিকে বিধানসভার বিদ্রোহী শিবিরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সামনে আসছে।

গ্রাফিক্সগ্রাফিক্স
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Jun 2026,
  • अपडेटेड 3:00 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেকেই ক্রিকেট ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করছেন।
  • এক সময় যে দল নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করত, ক্ষমতা হারানোর পর সেই দলই এখন একের পর এক ধাক্কার মুখে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেকেই ক্রিকেট ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করছেন। এক সময় যে দল নিরঙ্কুশ আধিপত্য বিস্তার করত, ক্ষমতা হারানোর পর সেই দলই এখন একের পর এক ধাক্কার মুখে। প্রতিদিনই কেউ না কেউ দল ছাড়ছেন, বিদ্রোহ করছেন বা নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিচ্ছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, এই ভাঙনের নেপথ্যে আসল কৌশলী কে?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। গত কয়েক দিনে একাধিক রাজ্যসভা সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি, লোকসভা ও বিধানসভাতেও দলের একাংশের মধ্যে বিদ্রোহী সুর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এদিকে তৃণমূলের প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অবস্থানও রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি প্রকাশ্যে দলীয় নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর থেকেই অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূল শিবিরে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই ভাঙনের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, অসন্তুষ্ট সাংসদদের একত্রিত করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। অন্যদিকে বিধানসভার বিদ্রোহী শিবিরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সামনে আসছে।

তবে রাজনৈতিক মহলের বড় অংশের নজর রয়েছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিকে। অনেকের মতে, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব ধীরে ধীরে দলের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। শুভেন্দু নিজে দীর্ঘদিন তৃণমূলে থাকার কারণে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন বলেও মনে করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, রাজ্যসভা সাংসদ সুস্মিতা দেবের পদত্যাগকে ঘিরেও জল্পনা তুঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।

ফলে এখন বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তৃণমূলের এই ধারাবাহিক ভাঙন কি শুধুই ক্ষমতা হারানোর স্বাভাবিক ফল, নাকি এর পিছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক কৌশল? উত্তর মিলবে আগামী দিনে, তবে আপাতত রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement