Advertisement

Tmc MLA Abdur Rahim Boxi: দেবোত্তর সম্পত্তিও বিধায়কের দখলে! পুলিশি জেরার মুখে মমতাপন্থী তৃণমূল নেতা

দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, তার সঙ্গে সেচ দপ্তরের জমি দখল করে স্কুল বিল্ডিং ও এনজিও সংস্থা তৈরির অভিযোগ—একসঙ্গে জোড়া অভিযোগে থানায় তলব মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীকে।

থানা থেকে বেরোচ্ছেন বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীথানা থেকে বেরোচ্ছেন বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী
বিশাল দাস
  • কলকাতা,
  • 08 Aug 2026,
  • अपडेटेड 4:25 PM IST

মন্দিরের সম্পত্তিও বিধায়কের নজরে! জমি দখলের অভিযোগে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা মালতিপুরের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীকে রতুয়া থানায় তলব করা হয়। তিন ঘণ্টা তাঁকে ম্যারাথন জেরা করে পুলিশ। রতুয়া থানার রুকুন্দিপুরের বাসিন্দা শকুন্তলা ঘোষ রতুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন বিধায়ককে জেরা করা হয়। দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, তার সঙ্গে সেচ দপ্তরের জমি দখল করে স্কুল বিল্ডিং ও এনজিও সংস্থা তৈরির অভিযোগ—একসঙ্গে জোড়া অভিযোগে থানায় তলব মমতাপন্থী তৃণমূল বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সীকে। 

থানায় হাজিরা দেওয়ার পর বিধায়ককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ। রাজনৈতিক মহলে যখন এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা, তখন বিধায়কের দাবি, জমি সংক্রান্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে ডাকা হয়েছিল এবং পুলিশ যা জানতে চেয়েছে, তার উত্তর দিয়েছেন তিনি। প্রায় ১২টা নাগাদ থানায় পৌঁছন তিনি। এরপর শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে পুলিশের প্রশ্নোত্তর পর্ব। অবশেষে দুপুর ২টো ১৩ মিনিট নাগাদ থানা থেকে বেরিয়ে যান বিধায়ক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রতুয়ার রুকুন্দিপুরের বাসিন্দা শকুন্তলা ঘোষ নামে এক ব্যক্তি বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, তাঁর সাত শতক দেবোত্তর সম্পত্তির জমি আব্দুর রহিম বক্সী দখল করে রেখেছেন। সেই অভিযোগের তদন্তেই বিধায়ককে থানায় ডেকে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে।

তবে শুধু দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগই নয়, বিধায়কের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ সামনে এসেছে। আরএসপির জেলা সম্পাদক সর্বানন্দ পাণ্ডের পক্ষ থেকে রতুয়া থানায় দায়ের করা হয়েছে পৃথক অভিযোগ। সেখানে দাবি করা হয়েছে, সেচ দপ্তরের জমি দখল করে স্কুল বিল্ডিং এবং একটি এনজিও সংস্থা তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, থানায় হাজিরা দেওয়ার পর আব্দুর রহিম বক্সীর বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত একটি অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে ডাকা হয়েছিল। পুলিশ তাঁকে যে সমস্ত প্রশ্ন করেছে, তার উত্তর তিনি দিয়েছেন। পুলিশ কী পদক্ষেপ করে এখন সেটাই দেখার বিষয়। দুটি অভিযোগ ঘিরেই এখন তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ফলে একদিকে জমি দখলের অভিযোগ, অন্যদিকে সরকারি দপ্তরের জমি দখল করে নির্মাণের অভিযোগ—দুই ঘটনায় নাম জড়ানোয় স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। যদিও অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্ত সাপেক্ষ।

Advertisement

রিপোর্টার- মিলটন পাল
 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement